FAST Tag Annual Pass Price Rise: দাম বাড়ছে ফাস্ট ট্যাগের বার্ষিক পাসের! কত তারিখ থেকে লাগু হচ্ছে নয়া দর?
বেড়ে গেল ফাস্ট ট্যাগের বার্ষিক পাসের খরচ।
ইরানে যুদ্ধের মাঝে ইতিমধ্যেই বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম। এদিকে, তারই মধ্যে আরও এক জিনিসের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা হয়ে গেল। এবার বাড়ছে বার্ষিক ফাস্ট ট্যাগ পাসের খরচ। ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে এই পাসের খরচ আগের বছরের থেকে বেশি দিতে হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ফাস্ট ট্যাগের বার্ষিক পাসের জন্য খরচ করতে হবে ৩০৭৫ টাকা। এর আগে, ২০২৫ সালের জুন মাসে ফাস্ট ট্যাগের বার্ষিক পাস ছিল ৩০০০ টাকা। সদ্য এই নয়া দামের ঘোষণা করে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কেন্দ্রী. সড়ক পরিবহন ও হাইওয়ে মন্ত্রক। ১ এপ্রিল ২০২৬ সাল থেকে এই নয়া দাম লাগু হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। জনসাধারণকে উচ্চ টোল চার্জ থেকে মুক্তি দিতে এবং যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধির জন্য গত বছর ১৫ আগস্ট বার্ষিক পাস চালু করা হয়েছিল। এই ব্যবস্থার অধীনে, যে ব্যক্তির (গাড়ি, জিপ এবং ভ্যান) যানবাহন অ-বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নিবন্ধিত এবং কার্যকরী FASTag আছে, তিনি এই পাসের জন্য যোগ্য। এটি এক বছরের জন্য অথবা জাতীয় মহাসড়কের যেকোনো ফি প্লাজা দিয়ে দুই শতাধিক ক্রসিংয়ের জন্য বৈধ থাকবে, প্রতিটি ফি প্লাজায় প্রযোজ্য ফি নির্বিশেষে।
ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া এই ফাস্ট ট্যাগের বার্ষিক পাসের দাম বৃদ্ধি করেছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে, ন্যাশনাল হাইওয়ে ফি রুলস -র নিয়ম অনুসারে এই দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রেস রিলিজে বলা হচ্ছে, ৫৬ লাখের বেশি গ্রাহককে সঙ্গে নিয়ে ফাস্ট ট্যাগকে ক্রমেই বহুজন গ্রহণ করে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, রাজমার্গযাত্রা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন অথবা NHAI ওয়েবসাইট থেকে একটি FASTag বার্ষিক পাস কেনা যাবে। মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, দিল্লি-গুরুগ্রাম সীমান্তে অবস্থিত বিজওয়াসন ফি প্লাজায় বার্ষিক পাসের সর্বোচ্চ ব্যবহার রেকর্ড করা হয়েছে, মোট গাড়ি ক্রসিংয়ের প্রায় ৫৭% এটি ব্যবহার করে। প্রসঙ্গত, নিয়ম অনুসারে, বার্ষিক পাসটি ২০০টি ট্রিপ অথবা সক্রিয়করণের তারিখ থেকে এক বছর পূর্ণ করলে, এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি নিয়মিত FASTag হিসাবেই ফিরে যাবে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


