Finland on India at UNSC: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য করা উচিত ভারতকে, বড় দাবি ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির
ফিনিশ রাষ্ট্রপতির কথায়, 'পশ্চিমা অধ্যুষিত বিশ্বের যুগ শেষ হয়ে গেছে এবং সেই পরিবর্তন স্পষ্টভাবে আমাদের সামনে উঠে এসেছে।' এই আবহে ভারতকে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য করার পক্ষে মত দেন স্টাব।
রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, এমনই দাবি করলেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট অ্য়ালেকজান্ডার স্টাব। ভারত সফরকালে নিরাপত্তা পরিষদের সম্প্রসারণের পক্ষে সওয়াল করেন এই ইউরোপীয় রাষ্ট্রপ্রধান। নয়াদিল্লির রাইসিনা সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন অ্যালেকজান্ডার স্টাব। সেই সময়ই ভারতের বিদেশনীতির প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর কথায়, 'পশ্চিমা অধ্যুষিত বিশ্বের যুগ শেষ হয়ে গেছে এবং সেই পরিবর্তন স্পষ্টভাবে আমাদের সামনে উঠে এসেছে।' এই আবহে ভারতকে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য করার পক্ষে মত দেন স্টাব। অবশ্য এর আগেও ভারতকে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য করার পক্ষে সরব হয়েছিলেন স্টাব। ২০২৫ সালের নভেম্বরে স্টাব বলেছিলেন, ভারতকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য না করা ভুল।

স্টাব বলেন, 'ভারতের বিদেশনীতি সম্পর্কে আমি যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি, তা হল আপনাকে তারা কোনও ভাবেই বিভ্রান্ত করবে না। ভারতের বিদেশ নীতি বিশ্বের বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সারা বিশ্বকে নিজের শর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতার গুরুত্ব দেখিয়েছে ভারত। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আমাদের কিছুটা ভারতের মতো হওয়া উচিত। এই আবহে বিশ্বে বহুপাক্ষিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন দাবি করছি আমি। এই পরিস্থিতিতে আমি মনে করি, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি আসন ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'
এই সময় ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তি নিয়েও কথা বলেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট। তিনি আরও বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি, পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থা কেমন হবে তা নিয়ে গ্লোবাল সাউথ সিদ্ধান্ত নেবে। বিশ্ব একটি সংঘাতময় বহুমেরু ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে কিনা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত একটি বড় শক্তি হয়ে উঠবে। এহেন বিশ্বে স্বার্থের উপর ভিত্তি করে চুক্তি হবে নাকি বিশ্ব সহযোগিতা, ন্যায্যতা এবং সাম্যের আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যাবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও ভারত একটি বড় শক্তি হয়ে উঠবে। এই রূপান্তরের সময়কালে ভারত এবং অন্যান্য প্রধান শক্তিগুলি যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেবে তা খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে। তারাই ভবিষ্যতের দিশা নির্ধারণ করবে। বিশ্বের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে গেছে।'
এর আগে গত ৫ মার্চ ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি অ্যালেক্সান্ডার স্টাবের সঙ্গে বৈঠক করার পরে রাষ্ট্রসংঘ প্রসঙ্গে মোদী বলেছিলেন, 'আমরা দু'জনেই নিশ্চিত যে বিশ্ব প্রতিষ্ঠানগুলির জরুরি সংস্কার প্রয়োজন।' এদিকে বিশ্বজুড়ে সংঘাতের আবহে মোদী বার্তা দিয়েছিলেন, 'ভারত আইনের শাসন, সংলাপ ও কূটনীতিতে বিশ্বাস করে। সামরিক সংঘাত কোনও ইস্যুর সমাধান নয়।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper











