Grand Canyon Flash Flood: বিপর্যয় এবার আমেরিকার বুকে! হড়পা বান গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে, নিখোঁজ বহু
আমেরিকার বুকে বিপর্যয়, হড়পা বান এবার গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে।
নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের রেশ কাটতে না কাটতেই আমেরিকার গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে বড়সড় বিপর্যয়। এবার গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে হড়পা বান! তার জেরে ২০ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে খবর। ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস জানিয়েছে, আকস্মিক বন্যা ব্রাইট অ্যাঞ্জেল ক্যানিয়ন ও ফ্যান্টম র্যাঞ্চ এলাকায় আঘাত হেনেছে এবং এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কলোরাডো নদীতে বিশাল সব পাথরের খণ্ড, ধাতব কাঠামো ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে যে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া এবং সেখানকার মানুষদের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য অ্যারিজোনার কর্তৃপক্ষের সাথে কাজ করছে; পাশাপাশি তারা নিখোঁজ ব্যক্তি এবং ওই এলাকায় অবস্থানরত হাইকারদের, অর্থাৎ যাঁরা পায়ে হেঁটে পার্বত্য এলাকায় চলেন, তাঁদের বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে তা জানানোর জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে কলোরাডো নদীতে মিশে যাওয়া ‘ব্রাইট অ্যাঞ্জেল ক্রিক’-এ আকস্মিক বন্যা শুরু হয়। প্রবল স্রোত খালের ওপরের পায়ে চলার সেতুগুলোকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং এলাকার ভূ-প্রকৃতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটায়। ওই এলাকার ভিডিওতে দেখা যায় যে, বন্যার ফলে খালের তলদেশ প্রশস্ত হয়ে গেছে এবং সেখানে নতুন একটি খরস্রোতের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ইউটা স্টেট ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর কলোরাডো রিভার স্টাডিজ-এর পরিচালক জ্যাক স্মিডট বলছেন,‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন যে কতটা গতিশীল ও সক্রিয় একটি ভূ-প্রকৃতি, এটি সেটিই মনে করিয়ে দিচ্ছে,’। বলেছেন ।
বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের একজন, এরিকা ভায়োলা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানান যে শনিবার বিকেলে যখন বৃষ্টি শুরু হয়, তখন তিনি ‘ব্রাইট এঞ্জেল ক্যাম্পগ্রাউন্ড’-এ ছিলেন। সেখানে তিনি ও আরও প্রায় ৫০ জন হাইকার মিলে ঝর্ণার জলেরস্তর বাড়তে এবং স্রোতে বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষ ভেসে যেতে দেখেন,যার মধ্যে একটি ‘বাঙ্কহাউস’-এর মতো কাঠামোও ছিল। ফ্ল্যাগস্টাফের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের আবহাওয়াবিদ জাস্টিন জন্ড্রো জানিয়েছেন, পাথুরে ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট ওই এলাকায় প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যে ১ সেন্টিমিটার থেকে ২.৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


