Foreign Rail Passenger Died: ট্রেনে বচসা, সহযাত্রীদের দিকে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্প্রে বিদেশির, পরে জেরার মুখে মৃত্যু
চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের সঙ্গে বচসা। তারপরই অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র হাতে নিয়ে যাত্রীদের দিকে স্প্রে। মুম্বই থেকে দিল্লিগামী গোল্ডেন টেম্পল এক্সপ্রেসে এমনই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনাটি ঘটান এক বিদেশ রেলযাত্রী। আর সেই বচসার ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।
চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের সঙ্গে বচসা। তারপরই অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র হাতে নিয়ে যাত্রীদের দিকে স্প্রে। মুম্বই থেকে দিল্লিগামী গোল্ডেন টেম্পল এক্সপ্রেসে এমনই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনাটি ঘটান এক বিদেশ রেলযাত্রী। আর সেই বচসার ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এই আবহে তাঁর মৃত্যু ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি প্রায় ৪৫ বছর বয়সি। তিনি মুম্বইয়ের বান্দ্রা টার্মিনাস থেকে দিল্লির উদ্দেশে ট্রেনে উঠেছিলেন। সাধারণ কামরায় যাত্রা করছিলেন তিনি। ট্রেন চলাকালীন অন্য যাত্রীদের সঙ্গে তাঁর বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যাত্রীদের সঙ্গে তর্কাতর্কি করতে করতে তিনি কামরায় হইচই শুরু করেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি নজরে আসে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফের। খবর পেয়ে আরপিএফ কর্মীরা কামরায় পৌঁছন। তাঁরা ইংরেজিতে ওই ব্যক্তিকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।
কিন্তু অভিযোগ, তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ওই ব্যক্তি আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এরপর কামরায় থাকা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র তুলে নেন তিনি। আচমকাই যাত্রীদের লক্ষ্য করে সেটি থেকে স্প্রে করতে শুরু করেন। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে কামরায়। একাধিক যাত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর দিকে এগিয়ে যান। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, কয়েক জন যাত্রী ওই ব্যক্তিকে মারধরও করেন।
এরপর ট্রেন সুরত স্টেশনে পৌঁছয়। সেখানে রেল পুলিশ ও আরপিএফ কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিদেশি নাগরিকটিকে আটক করে আরপিএফ পোস্টে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বলে জানা যায়।
তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হল। ট্রেনে যাত্রীদের সঙ্গে বিদেশি রেলযাত্রীর মারামারি হয়েছিল। পরে তাঁকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই আবহে কোনও আঘাতের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিদেশি সেই যাত্রীর শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে ময়নাতদন্তে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে কোনও পাসপোর্ট পাওয়া যায়নি। মেলেনি ভিসা বা পরিচয়পত্রও। ফলে তিনি কোন দেশের নাগরিক, তা নিয়েও তদন্তকারীদের সামনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। রেল পুলিশ আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ট্রেনে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। পুলিশের নজরে রয়েছে ট্রেনের কামরায় উপস্থিত যাত্রীরাও। তাঁদের বয়ান নেওয়া হতে পারে। ওই বিদেশি নাগরিককে কারা মারধর করেছিলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


