Commercial LPG Update: বাণিজ্যিক এলপিজি নিয়ে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের!ক্যান্টিন,রেস্তোরাঁর জন্য কোন বার্তা
বাণিজ্যিক এলপিজি নিয়ে কী জানাল কেন্দ্র?
এলপিজি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই শনিবার কেন্দ্রের তরফে এল স্বস্তির বার্তা। চলমান পশ্চিম এশীয় সংঘাতজনিত বিঘ্নের কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় সরকার শনিবার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে।

কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে যে, অতিরিক্ত ২০ শতাংশ বাণিজ্যিক বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে, ফলে মোট বর্ধিত সরবরাহ ৫০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সরকারি বিবৃতি অনুসারে, এই পদক্ষেপটি পূর্ববর্তী ১০% বৃদ্ধির উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে এবং এর লক্ষ্য হল ‘পাইপলাইনযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (পিএনজি)-এর রূপান্তর ও সম্প্রসারণকে’ সমর্থন করা। তবে এক্ষেত্রে সরকার সাফ জানাচ্ছে, নতুন বরাদ্দ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অত্যাবশ্যকীয় এবং অধিক ব্যবহৃত খাতগুলিতে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে হোটেল, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও দুগ্ধ উৎপাদন কেন্দ্র, সেইসাথে রাজ্য সরকার ও স্থানীয় সংস্থা দ্বারা পরিচালিত ভর্তুকিপ্রাপ্ত ক্যান্টিন ও আউটলেটগুলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
কেন্দ্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ২০ শতাংশ এলপিজি বরাদ্দ রেস্তোরাঁ, ধাবা, হোটেল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্যান্টিন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও দুগ্ধ ইউনিট-সহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, এটি রাজ্য সরকার বা স্থানীয় সংস্থা দ্বারা পরিচালিত ভর্তুকিপ্রাপ্ত ক্যান্টিন ও খাবারের দোকান এবং সেইসাথে কমিউনিটি কিচেনগুলোকেও সহায়তা করবে। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজি ফ্রি ট্রেড এলপিজি সিলিন্ডারের (এফটিএল) ব্যবস্থাও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত, ভারত সরকারের নির্দেশিকা অনুসারে ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘরোয়া নয় এমন এলপিজি বরাদ্দের আদেশ জারি করেছে। বাকি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে সরকারি তেল বিপণন সংস্থাগুলি বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করছে।
উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালীতে বহু জ্বালানিবাহী জাহাজ আটকে পড়ায় গোটা বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি ঘিরে সংকট তৈরি হয়েছে। এরই মাঝে বাণিজ্যিক এলপিজি ঘিরে কিছুদিন আগে বড় পদক্ষেপ করেছিল কেন্দ্র। তারপর এল এই বড় সিদ্ধান্তের বার্তা।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


