Letter to Modi-Shehbaz: ভারত-পাকিস্তানরে আলোচনার টেবিলে ফেরার আর্জি, মোদী-শাহবাজকে ১১৭ বিশিষ্টজনের চিঠি

নয়াদিল্লিভিত্তিক সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড প্রোগ্রেসের প্রধান ওপি শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, বর্তমানে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক 'স্বস্তিদায়ক নয়' এবং এর প্রভাব শুধু দুই দেশের সরকার নয়, সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকাতেও পড়ছে। 

Published on: Jul 2, 2026, 08:24:05 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

India-Pakistan Relation Update: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে আবারও কূটনৈতিক সংলাপ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন দুই দেশের ১১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁরা যৌথভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। চিঠিতে দুই দেশের মধ্যে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিয়মিত সংলাপ পুনরায় শুরু করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে আবারও কূটনৈতিক সংলাপ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন দুই দেশের ১১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে আবারও কূটনৈতিক সংলাপ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন দুই দেশের ১১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।

এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত নয়াদিল্লিভিত্তিক সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড প্রোগ্রেসের প্রধান ওপি শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, বর্তমানে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক 'স্বস্তিদায়ক নয়' এবং এর প্রভাব শুধু দুই দেশের সরকার নয়, সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকাতেও পড়ছে। তাঁর মতে, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং সাধারণ মানুষই তার সবচেয়ে বড় মূল্য চোকায়। ওপি শাহ বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক গোটা উপমহাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্তে উত্তেজনা বা সংঘাতের আশঙ্কা বিনিয়োগ, বাণিজ্য, পর্যটন এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য সংলাপের বিকল্প নেই বলেই তিনি মনে করেন।

যৌথ চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত ও অর্থবহ আলোচনা চালিয়ে গেলে আস্থা তৈরি হবে এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যাগুলির সমাধানের পথও সুগম হতে পারে। তাঁদের মতে, সংলাপই এমন একটি মাধ্যম, যার মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি ও আঞ্চলিক সমৃদ্ধির পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তবে পাকিস্তান থেকে মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই ওপি শাহ বলেন, ২৬/১১ মুম্বই হামলা, পুলওয়ামা কিংবা পাহেলগামের মতো সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাগুলি অত্যন্ত গুরুতর। কিন্তু সেই কারণেই আলোচনা বন্ধ না করে বরং সন্ত্রাসবাদ-সহ সমস্ত বিতর্কিত বিষয় কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে তুলে ধরা উচিত। তাঁর মতে, সন্ত্রাসবাদ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয়গুলি নিয়ে ধারাবাহিক সংলাপই সমাধানের পথ দেখাতে পারে।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে কোনও পরিস্থিতিতেই যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়া উচিত নয়। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন স্তরে নিয়মিত আলোচনা চললে উভয় দেশ একে অপরের অবস্থান, সীমাবদ্ধতা ও উদ্বেগ সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারবে। এতে ভুল বোঝাবুঝি কমবে এবং সংঘাতের সম্ভাবনাও হ্রাস পাবে। সম্প্রতি অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের কঠোর অবস্থান এবং ভবিষ্যতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে জিরো টলারেন্স নীতির প্রসঙ্গেও ওপি শাহ বলেন, কঠিন পরিস্থিতিতেও সংলাপের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। তাঁর দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের অসংখ্য মানুষ যুদ্ধ নয়, শান্তিই চান। আরও বহু মানুষ এই শান্তি উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানাতে আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More