Hindu Candidate in Bangladesh Vote: হিন্দু মহিলা প্রার্থীর এজেন্টকে বাধা, বাংলাদেশে 'থোড় বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়'
নির্বাচনী প্রার্থী বরিশাল জেলায় বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের আহ্বায়ক ডঃ মণীষা চক্রবর্তী দাবি করে, তাঁর কেন্দ্রে বাহুবলের মাধ্যমে প্রভাব করা হচ্ছে এলাকায় এলাকায়। এমনকী তাঁর দলের পোলিং এজেন্টকে বুথে ঢুকতেই দেওয়া হচ্ছে না।
বাংলাদেশে নাকি বাহুবলে বুথ দখল করে ভোট হত হাসিনা জমানায়। সেই ব্যবস্থা পালটে ফেলার অঙ্গীকার নিয়েই ইউনুস সরকারের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে বাংলাদেশে। তবে হাসিনা জমানায় যে অভিযোগ উঠত, ইউনুস জমানায় সেই একই অভিযোগ উঠল। এই আবহে বরিশালের এক কেন্দ্রে হিন্দু মহিলা প্রার্থী গুরুতর অভিযোগ তুললেন। বাম জোটের প্রার্থী তথা বরিশাল জেলায় বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের আহ্বায়ক ডঃ মণীষা চক্রবর্তী দাবি করে, তাঁর কেন্দ্রে বাহুবলের মাধ্যমে প্রভাব করা হচ্ছে এলাকায় এলাকায়। এমনকী তাঁর দলের পোলিং এজেন্টকে বুথে ঢুকতেই দেওয়া হচ্ছে না।
ডঃ মণীষা চক্রবর্তী নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বলেন, 'ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু আছে। তবে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করার আগে পর্যন্ত নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। প্রশাসন সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ না থাকে তাহলে সুষ্ঠু ভোট কখনও সম্ভব নয়। প্রশাসনকে পেশিশক্তির প্রভাব বন্ধ করতে হবে, তা না পারলে প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা থাকবে না।'
এর আগে অভিযোগ উঠত, আওয়ামী লীগ জমানায় নাকি 'রাতের ভোট' হত বাংলাদেশে। এই অভিযোগে দীর্ঘ কয়েকবছর নির্বাচনী রাজনীতি থেকে দূরে থেকেছিল বিএনপি। তবে আওয়ামী লীগ বিহীন নির্বাচনে সেই বিএনপির বিরুদ্ধেই উঠেছে 'রাতের ভোট' করানোর অভিযোগ, তাও আবার নির্বাচন শুরুর আগেই ভোটকেন্দ্র 'দখলের' অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশে। অবশ্য শুধু বিএনপি নয়, এই একই অভিযোগে অভিযুক্ত একদা বিএনপির 'বেস্ট ফ্রেন্ড' জামাতে ইসলামি। এই আবহে ভোটকেন্দ্রে 'অনুপ্রবেশের' অভিযোগে বাংলাদেশের ফেনিতে আটক বিএনপি এবং জামাতে ইসলামির ১৬ জন নেতাকর্মী। পরে অবশ্য তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়, কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
এদিকে বাংলাদেশের নির্বাচনে বিভিন্ন দেশ থেকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এসেছে। এই সব পর্যবেক্ষকদের মধ্যে যেমন পাকিস্তান, তুরস্কের মতো দেশের প্রতিনিধিরা রয়েছেন, তেমনই আছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভুটান, নেপাল, ইরান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, জর্ডান, জর্জিয়া, শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া, চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, কির্গিজস্তান, উজবেকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা। এই আবহে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষদের সামনে নিজেদের মুখ পোড়াতে চাইছে না মহম্মদ ইউনুসের সরকার। এছাড়াও বাংলাদেশ নির্বাচনের খবর করতে বহু দেশের সাংবাদিকরা বর্তমানে সেখানে আছেন।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


