RSS Chief on Captain Smit Machchhar: 'হিন্দু ধর্মই ক্যাপ্টেন স্মিতকে প্রাণ বাঁচাতে উদ্বুদ্ধ করেছিল', মত RSS প্রধানের
RSS Chief on Captain Smit Machchhar: 'হিন্দু ধর্মই ক্যাপ্টেন স্মিতকে প্রাণ বাঁচাতে উদ্বুদ্ধ করেছিল', জানালেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তাঁর মতে, হিন্দু ধর্মের মূল্যবোধ থেকেই সেই অনুপ্রেরণা পান ক্যাপ্টেন স্মিত।
RSS Chief on Captain Smit Machhar: ফ্লাইদুবাইয়ের পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের ভূয়সী প্রশংসা করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। মঙ্গলবার নাগপুরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সদর দফতরে আয়োজিত 'বিজয়া দশমী উৎসব'-র মঞ্চ থেকে ভাগবত দাবি করেন, হিন্দু ধর্মের মধ্যে যে মূল্যবোধ আছে, সেটা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ছড়িয়ে পড়ে। এক প্রজন্ম থেকে অন্যের মধ্যে সঞ্চারিত হয়ে আসে। আর সেই মূল্যবোধই ক্যাপ্টেন স্মিতকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল যে নিজের জীবনের পরোয়া না করে অন্যদের জীবন রক্ষা করার ক্ষেত্রে। তাঁর জন্যই ১৭৪ জন মানুষের প্রাণ বেঁচে গিয়েছে বলে জানান ভাগবত।
'মানুষের প্রাণরক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের'
সংঘ প্রধানের কথায়, ‘বিশ্বের প্রতি হিন্দু সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি এবং (হিন্দু সমাজের) প্রকৃতি অন্তর্ভুক্তিমূলক। তাই আমাদের বুঝতে হবে যে এই ধরনের কাজ আমাদের সকলের মধ্যে মানসিক ঐক্য, সদিচ্ছা ও সদাচরণকে আরও সুদৃঢ় করবে। এই প্রকৃতি এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মধ্যে সঞ্চারিত হওয়া এই মূল্যবোধই ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে নিজের জীবন বিপন্ন করে মানুষের প্রাণরক্ষার কাজে নিজেকে উৎসর্গ করতে অনুপ্রাণিত করেছে।’
'২ বছরের ছেলেকে হনুমান চালিশা পড়ে শোনান ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর'
সেই অভিশক্ত ফ্লাইদুবাই বিমানের ক্যাপ্টেন স্মিত নিজেকেও জানিয়েছেন যে ধর্মের প্রতি বিশেষ টান অনুভব করেন। নিজের প্রাণের পরোয়া না করে ১৭৪ জন মানুষের জীবন বাঁচানোর পরে হাসপাতালের বিছানা থেকেই ভিডিয়ো কলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানিয়েছিলেন যে প্রতিদিন সকালে দু'বছরের ছেলেকে হনুমান চালিশা পড়ে শোনান। যা তাঁর মধ্যে শক্তির সঞ্চার করে।
‘ভারতীয়দের ঐক্য সহজাত ও শর্তহীন’, মত সংঘ প্রধানের
আর সেই রেশ ধরেই সংঘ প্রধান দাবি করেছেন, ঐক্যের ধারণা ভারতীয়দের হৃদয়ের মধ্যে থাকে। তাই কোনওরকম শর্তের বেড়াজাল ছাড়াই ঐক্যের ধারণায় বিশ্বাস করেন ভারতীয়রা। তাঁর কথায়, ‘আমাদের ভারতীয়দের ঐক্য সহজাত ও শর্তহীন। একে অপরের সঙ্গে আমাদের যে বন্ধন এবং ভারতের সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক, তা জীবন্ত। যা হৃদয়ের গভীরে আছে। ফলে তা শর্তহীন। এই সম্পর্কের প্রকৃতি একতরফা - যেমন এই কথায় ফুটে ওঠে - হে মা, তোমার গৌরব চিরন্তন থাকুক; আমরা আর কিছুদিন বাঁচি বা না বাঁচি, তাতে কিছু যায় আসে না।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


