Homework Controversy: হোমওয়ার্কে ইসলাম ধর্মের পাঠ? বিতর্কে বেসরকারি স্কুল, চাকরি গেল শিক্ষিকের
বিতর্ক প্রকাশ্যে আসার পর বৃহস্পতিবার স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল বা ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিয়ে স্কুলের পক্ষ থেকে আর কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ঘটনাটি রাজনৈতিক মহলেও আলোড়ন ফেলেছে।
Homework Controversy: তেলঙ্গানার হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি স্কুলে ছয় বছরের এক হিন্দু ছাত্রকে দেওয়া হোমওয়ার্ক ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ওই ছাত্রের হোমওয়ার্ক ডায়েরিতে ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় বিশ্বাস সংক্রান্ত বিষয় পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি সামনে আসতেই ছাত্রের পরিবার স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবাদ জানায়। বিতর্ক বাড়তে না বাড়তেই অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্রের এক আত্মীয় এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, হোমওয়ার্ক ডায়েরিতে এমন একটি ধর্মীয় বিষয় পড়তে বলা হয়েছিল, যা ইসলাম ধর্মের মূল বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। ছাত্রের পিসি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি স্কুলের অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, এটি একটি ধর্মীয় বিষয় এবং সব ছাত্রছাত্রীর জন্যই তা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। যদিও পরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক দাবি করেন, ভুলবশত ওই নির্দেশ ছাত্রের হোমওয়ার্ক ডায়েরিতে লেখা হয়েছিল।
ছাত্রের পরিবারের তরফে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, স্কুলের অ্যালম্যানাক বা নির্দেশিকাতেও ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, ধর্মভিত্তিক কোনও পাঠ বা হোমওয়ার্ক শুধুমাত্র সেইসব ছাত্রছাত্রীদেরই দেওয়া উচিত, যারা স্বেচ্ছায় সেই বিষয়টি পড়তে চায়। গোটা ঘটনার তদন্ত করে শিক্ষা দপ্তরের হস্তক্ষেপও দাবি করেছে পরিবার।
বিতর্ক প্রকাশ্যে আসার পর বৃহস্পতিবার স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল বা ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিয়ে স্কুলের পক্ষ থেকে আর কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ঘটনাটি রাজনৈতিক মহলেও আলোড়ন ফেলেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বন্দি সঞ্জয় কুমার স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ঘটনার পরও তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ সংগঠনগুলি কেন নীরব রয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, ২০২৮ সালের তেলঙ্গানা বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের কপালে তিলক পরা বাধ্যতামূলক করা হবে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-র নেতা রবিনুথলা শশিধরও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং প্রয়োজনে তাদের সরকারি স্বীকৃতিও বাতিল করা হোক।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


