Nepal Green House Survival Reason: ধ্বংসের মধ্যেই কীভাবে নেপালের 'সবুজ বাড়ি' বাঁচল? বললেন মালিক, কাজে লাগবে বাংলায়
Nepal Green House Survival Reason: ধ্বংসলীলার মধ্যেই দাঁড়িয়ে ছিল নেপালের 'সবুজ বাড়ি'। আর সেই ‘সবুজ বাড়ি’-র কাহিনী সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। আর কী কারণে ওই ধাক্কা সামলে টিকে থাকল ওই বাড়ি? জানালেন মালিক।
Nepal Green House Survival Reason: চারিদিকে ধ্বংসলীলার মধ্যে একা মাথা খাড়া করে দাঁড়িয়ে আছে সবুজ বাড়ি - নেপালের বিপর্যয়ের মধ্যেই সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ভয়াল হড়পা বানের জেরে ত্রিশূলী নদী যখন একের পর এক বাড়ি গিলে নিচ্ছে, তখন সেই ‘সবুজ বাড়ি’ বা ‘গ্রিন হাউস’ একা মাথা তুলে দাঁড়িয়ে ছিল। আর সেটার নেপথ্যে পোক্ত ভিত এবং ভালো মানের সামগ্রীই লুকিয়ে আছে বলে মনে করছেন ‘গ্রিন হাউস’-র মালিক। তাঁর মতে, চার দশক আগে যখন বাড়ি তৈরি করা হয়েছিল, তখন ভিতের উপরে অত্যন্ত জোর দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি নদীর একেবারে ঘাড়ে উঠেও বাড়ি তৈরি করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

‘সিমেন্ট ও নির্মাণ সামগ্রীর মান ভালো ছিল’
সংবাদমাধ্যম লাল্লানটপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের নুয়াকোট জেলার সেই ‘সবুজ বাড়ি’-র মালিক প্রকাশ বলেছেন যে ‘এটা বেশ পুরনো বাড়ি - প্রায় ৪০ বছরের পুরনো বাড়ি। সেইসময় সিমেন্ট এবং নির্মাণ সামগ্রীর মান ভালো ছিল।’
বাড়ির ভিত নির্মাণের উপরে বাড়তি জোর দেওয়া হয়েছিল
সেইসঙ্গে প্রকাশ জানিয়েছেন, নদীর কাছাকাছি হওয়ায় বাড়ির ভিত নির্মাণের সময় বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছিল। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রকাশ বলেছেন যে ‘বাড়িটা নদীর কাছাকাছি হওয়ায় সেটিকে মজবুত করে তোলার জন্য আমরা ভালোমতো অর্থ ব্যয় করেছিলাম। সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে আমরা বাড়ির নিচে রাস্তার কাজে ব্যবহৃত উপাদানের দু'তিনটি স্তরও বসিয়েছিলাম। ফলে এর ভিত্তিটি বেশ শক্তিশালী হয়েছিল।’
নদীর ঘাড়ে উঠে বাড়ি তৈরি করলে কিছুই লাভ হত না, মত বিশেষজ্ঞদের
আর সেটার কারণেই আশপাশের বাড়ি যখন ত্রিশূলী নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে, তখন অনেকটা ধাক্কা সামলেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ‘গ্রিন হাউস’। তবে নদীর একেবারে ঘাড়ে গিয়ে যদি সেই বাড়ি বানানো হত, তাহলে ভিত যতই শক্ত করা হোক না কেন, তাতে কোনও লাভ হত না বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেপালের ‘গ্রিন হাউস’-র ক্ষেত্রে যে নীতি মেনে তৈরি করা হয়েছিল, সেটা পশ্চিমবঙ্গেও মেনে চলতে হবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


