Hypersonic Missile: শব্দের ১০ গুণ গতিতে ছোটা হাইপারসনিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা ভারতের, রেঞ্জ ১৫০০ কিমি!

Hypersonic Missile: এই ক্ষেপণাস্ত্রের দ্বিতীয় পরীক্ষায় মূলত এর 'টু স্টেজ হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকেল' ডিজাইনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটির সর্বোচ্চ গতি ম্যাক ১০ (শব্দের গতির ১০ গুণ)। গ্লাইড পর্যায়ে এটি ম্যাক ৫-এর গড় গতি বজায় রাখতে পারে।

Published on: May 3, 2026, 08:36:00 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি 'লং-রেঞ্জ হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল' (এলআর-এএসএইচএম) এর দ্বিতীয় সফল ফ্লাইট পরীক্ষা পরিচালনা করল ভারত। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত শুক্রবার ওড়িশা উপকূলে এই পরীক্ষা চালানো হয়। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের দ্বিতীয় পরীক্ষায় মূলত এর 'টু স্টেজ হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকেল' ডিজাইনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটির সর্বোচ্চ গতি ম্যাক ১০ (শব্দের গতির ১০ গুণ)।

দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি 'লং-রেঞ্জ হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল' (এলআর-এএসএইচএম) এর দ্বিতীয় সফল ফ্লাইট পরীক্ষা পরিচালনা করল ভারত।
দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি 'লং-রেঞ্জ হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল' (এলআর-এএসএইচএম) এর দ্বিতীয় সফল ফ্লাইট পরীক্ষা পরিচালনা করল ভারত।

গ্লাইড পর্যায়ে এটি ম্যাক ৫-এর গড় গতি বজায় রাখতে পারে। এটি ১৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। গ্লাইড পর্যায়ে ম্যাক ৫-এর গতিতে কম উচ্চতার উড়তে পারে এই মিসাইলটি। এরই সঙ্গে এই মিসাইলটিতে 'স্কিপিং ট্র্যাজেক্টরি' বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর কারণে, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সহজেই শত্রুর আধুনিক জাহাজ-ভিত্তিক ইন্টারসেপশন এবং রাডার সিস্টেমকে এড়িয়ে যেতে পারে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এটিকে 'ক্যারিয়ার-কিলার' বলে অভিহিত করেছিল। ক্ষেপণাস্ত্রটি বিমানবাহী রণতরীর মতো চলমান এবং স্থির উভয় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। টার্মিনাল পর্যায়ে (লক্ষ্যের কাছাকাছি) দেশীয় সেন্সর ব্যবহার করে এই মিসাইলটি। এর ফলে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই মিসাইলটি। ডিআরডিও-র পরীক্ষাগারগুলির সঙ্গে মিলে হায়দরাবাদের ডঃ এ পি জে আবদুল কালাম ক্ষেপণাস্ত্র কমপ্লেক্সের এই মিসাইলটি তৈরি করেছে। এতে বেসরকারি সংস্থাগুলিও বড় ভূমিকা পালন করেছে। প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি খাতে স্বনির্ভর হতে চাইছে ভারত। সেই লক্ষ্যে এই মিসাইলটি ভারতের জন্য বড় সাফল্য।

ডিআরডিও এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে ক্ষেপণাস্ত্রের দ্বিতীয় পরীক্ষা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও শনিবার বিজেপি তাদের অফিসিয়াল 'এক্স' অ্যাকাউন্টে পরীক্ষার একটি ভিডিও শেয়ার করে। এটিকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর আত্মনির্ভর এবং 'ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত' ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির অংশ হিসাবে বর্ণনা করা হয়। সেই পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়, 'ভারতের হাইপারসনিক শক্তি এখন আরও বাড়তে চলেছে। দেশীয় প্রতিরক্ষা উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে এটি একটি বিশাল অগ্রগতি।' উল্লেখ্য, এই মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম ঝলক দেখা গিয়েছিল ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর। ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো বিশ্বের সামনে আনা হয়েছিল এই ক্ষেপণাস্ত্রটিকে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More