India Vs England T20 world cup 2026: ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত! সেমিফাইনালের ‘থ্রিলার’এ ইংরেজ-বধ সূর্যদের,জয় ৭ রানে

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত! আম্বানি, রণবীরদের উপস্থিতিতে ইংরেজদের হোয়াইট ওয়াশ করে ছাড়েন সূর্যরা।

Published on: Mar 05, 2026 10:51 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আরও এক বিশ্বকাপ ফাইনাল। আরও এক কাপের হাতছানি। আরব সাগরের তীরে ইংরেজদের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিয়ে ভারতের পাখির চোখ এবার টি ২০ বিশ্বকাপ ফাইনাল! ১৪০ কোটির স্বপ্নকে ফের একবার সত্যি করার অঙ্গীকার নিয়ে সূর্যবাহিনী এদিন ফাইনালের ২২ গজে পা রেখে দিল! ৭ রানে ব্রুকদের হোয়াইট ওয়াশ করে ওয়াংখেড়েতে তেজ ধরে রাখেন সূর্যরা! ইংরেজদের হারিয়ে দেয় ৭ রানে। এবার সূর্য বাহিনীর সামনে নিউজিল্যান্ড। আর এই ম্যাচে অক্সর প্যাটেলের রুদ্বশ্বাস ক্যাচটি ম্যাচের 'মোমেন্ট' তৈরি করে দেয়!

বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করেছেন সঞ্জু স্যামসন।  (Photo by Indranil MUKHERJEE / AFP) (AFP)
বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করেছেন সঞ্জু স্যামসন। (Photo by Indranil MUKHERJEE / AFP) (AFP)

২০২৬ ওয়াংখেড়ের রুদ্ধশ্বাস দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টসে হেরে যাত্রা শুরু করে ভারত। এরপর ব্যাট হাতে মাঠে নামেন অভিষেক ও সঞ্জু স্যামসন। অভিষেক যদিও ক্রিজে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তবে সঞ্জু ছিলেন তাঁর সেই চেনা ইডেন- মেজাজে! ঠিক যে মেজাজে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুরমুশ করেছিলেন, সেই মেজাজেই। এরপর সঞ্জুর সংহার শুরু হল। সঙ্গত দিতে থাকেন ঈশান কিষাণ। অভিষেক যখন আউট হন, তখন ভারতের স্কোর ২০ রানে ১ উইকেট। খেলার শুরুর দিকে সঞ্জুর সহজ ক্যাচ ফেলে দেন ব্রুক। জীবনদান পেয়েই সঞ্জু চালিয়ে খেলেন। অর্ধশতরানের মাইল ফলক পার হলেও, সঞ্জু শতরান ছুঁতে পারেননি। ৮৯ এ থেমে যায় তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিং ইনিংস। ততক্ষণে ঈশানও ঘরে ফিরে গিয়েছেন। তখন ওয়াংখেড়ের দর্শককে চার, ছয়ের পর পর শট উপহার দিয়ে গিয়েছেন শিবম দুবে। সঙ্গত দিয়েছেন ক্যাপ্টেন সূর্য। তবে ওয়াংখেড়েকে নিরাশ করে মুম্বইয়ের ভূমিপুত্র সূর্য এদিন ইউএসএ ম্যাচের সেই ম্যাজিক ফিরিয়ে দিতে পারেননি। সূর্যর দখলে ততক্ষণে ৬ বলে ১১ রান। এদিকে, হার্দিক, শিবম মিলে তুলকালাম শট মেরে ২১২ র স্কোর ১৭.৩ ওভারে দাঁড় করান। সেই সময়ই ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন শিবম। ততক্ষণে তাঁর মারা একের পর এক শটে করতালি দিয়ে ক্যামেরার নজর কেড়েছেন গ্যালারিতে বসা মহেন্দ্র সিং ধোনি, অনিল কাপুর, বরুণ ধওয়ানরা। এরপর ক্রিজে আসেন তিলক বর্মা। রানের গতি এগোতে থাকে। গ্যালারিতে ক্যামেরা তাক করে ততক্ষণে ক্যামেরাম্যান দেখিয়ে দিয়েছেন রাহাকে সঙ্গে নিয়ে থাকা রণবীর কাপুর, ও আলিয়া ভাটকে! গ্যালারিতে দেখা যায় নীতা, আকাশ, ইশা সহ আম্বানি পরিবারের একাধিক সদস্যকে। ২৫৩ রানে শেষ হয় ভারতের দানবীয় রানের ইনিংস। যা এই বিশ্বকাপের চতুর্থ সর্বোচ্চ স্কোর। ভারত একাধিক ব্যাটসম্যান খুইয়ে ৭ উইকেটে এই রান তোলে।

এরপর ইংল্যান্ডকে প্রথম ধাক্কা দেন হার্দিক সল্টকে ফেরান ৫ রানে। ইংরেজদের স্কোর তখন ১৩। এরপরের ধাক্কা হানেন বুমরাহ। ফিরে যান বিধ্বংসী ব্রুক। এরপর ‘চক্কোত্তি মশাই’ ফেরান বাটলারকে। ৫.৫ ওভারে ততক্ষণে ইংল্যান্ডের স্কোর ৬৪ রানে ৩ উইকেট। এরপর ৭.৩ ওভারে বেথেলকে প্যআভিলিয়নে ফেরান অক্সর ‘বাপু’ প্যাটেল! তার আগে অবশ্য বাউন্ডারির বন্যা শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে তাঁর বাউন্ডারির কাছে প্রাণরক্ষাকারী ম্যাচটি কার্যত ২০২৪র সূর্যের ক্যাচকে মনে করিয়ে দেন! এরপর একটা সময় ১৬ ওভারে ১৯৩ রান ঘরে আসে ইংল্যান্ডের। ভারতের সংগ্রহে তখন ইংল্যান্ডের ৫ উইকেট। পরিস্থিতি রুদ্ধশ্বাস হতে থাকে। বেথেল তখনও বিধ্বংসী মেজাজে! ১৮ ওভারে ৬ মেরে সেরে ফেললেন শতরান। শেষ ওভারে ৩০ রান দরকার ছিল ইংল্যান্ডের। এরপর রুদ্ধশ্বাস এক রান আউটে যবনিকা পতন হয় জ্যাকব বেথেলের ইনিংসের। তার সঙ্গেই কার্যত ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপের আশা কফিনবন্দি হয়। শেষ লগ্নে জোফ্রা আর্চার পর পর বাউন্ডারি হাঁকালেও ইংল্যান্ডের শেষ রক্ষা হয়নি!

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More