ICC T20 World Cup Latest Update: '…বিশ্বকাপ শেষ', বাংলাদেশের জন্য কাঁদল মন, ICC T20 WC বয়কটের ডাক প্রাক্তন পাক অধিনায়কের

পাকিস্তানেরও টুর্নামেন্ট বয়কট করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফ। এর আগে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দাবি করেছিল, বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপে না খেলে, তাহলে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বয়কট করবে।

Published on: Jan 23, 2026 8:42 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশ টি২০ বিশ্বকাপে না খেললে পাকিস্তানেরও টুর্নামেন্ট বয়কট করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফ। এর আগে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দাবি করেছিল, বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপে না খেলে, তাহলে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বয়কট করবে। এর জন্য পাক দল প্রস্তুতিও স্থগিত রেখেছে। তবে পরে জানা যায়, এমন কিছুই হয়নি। তবে ভেন্যু বদল নিয়ে বাংলাদেশের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসিতে ভোটাভুটির সময় পাকিস্তান নাকি বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিয়েছিল।

বাংলাদেশের জন্য পাকিস্তানেরও টুর্নামেন্ট বয়কট করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফ।
বাংলাদেশের জন্য পাকিস্তানেরও টুর্নামেন্ট বয়কট করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফ।

এরই মাঝে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ না খেলার বিষয়ে রশিদ লতিফ বলেন, 'পাকিস্তানের এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত। পাকিস্তান যদি এখন বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করে, তবে এই বিশ্বকাপ বড় বিপদে পড়বে। আমি এটা আগেও বলেছি, বাংলাদেশ যখন একবার কোনও কিছু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তারা সেটা করেই ছাড়ে। তারা প্রমাণ করে দিয়েছে যে বাংলাদেশের জন্য ভারত নিরাপদ দেশ নয়; আইসিসি, বিজেপি বা বিসিসিআই যা-ই বলুক না কেন। এখন পাকিস্তানের কিছু করার সময় এসেছে। এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর আসবে না। পাকিস্তান যদি এখন না খেলে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করে, তাহলে এই বিশ্বকাপ শেষ।'

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিসিসিআই। এই সিদ্ধান্তে চরম অপমানিত হয়েছিল বাংলাদেশ। এর জেরে বাংলাদেশের ক্রিকেট মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ দাবি তুলেছিল, টি২০ বিশ্বকাপে যেন বাংলাদেশ দল ভারতে খেলতে না যায়। সেই পরিস্থিতিতে ভারত খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে আইসিসিকে চিঠিও লেখে বাংলাদেশ। তবে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার পরে আইসিসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়েছে, তাদের ম্যাচগুলি অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে না। তাদের গ্রুপও অন্য কোনও দলের সঙ্গে অদলবদল করা হবে না। বিসিবি এখনও দাবি করে যাচ্ছে, তারা বিশ্বকাপ খেলার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাবে। যদিও তাদের বক্তব্যে সেই সবের কোনও প্রতিফলন নেই।

প্রসঙ্গত, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে চলেছে আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ। ৮ মার্চ টুর্মামেন্টের ফাইনাল। টুর্নামেন্টে গ্রুপ সি-তে ছিল বাংলাদেশ। তাদের গ্রুপ পরবের তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতায়, একটি মুম্বইতে। বিশ্বকাপ শুরুর দিনই কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা ছিল বাংলাদেশের। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইডেনেই ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। আর নেপালের বিরুদ্ধে ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইতে খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। এখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গ্রুপ সি-তে স্থান পেতে পারে স্কটল্যান্ড।