IIT Bombay: পরীক্ষায় চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে ধরা পড়েন, পড়ুয়ার আত্মহত্যার পর IIT বম্বে বলল, ‘আশ্বাস দেওয়া হয় যে..’
কী ঘটেছে বম্বে আইআইটিতে!
দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়ার আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে তোলপাড় আইআইটি বম্বে। ইতিমধ্যেই পড়ুয়ারা ক্ষোভে ফেটে পড়ে প্রতিবাদে নেমেছেন। এদিকে, জানা গিয়েছে, ডিপার্টমেন্ট অফ এনার্জি সায়ান্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-র ওই পড়ুয়া সাহিল ওয়াকোড়ে পরীক্ষার সময় মোবাইল ও চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ। পরীক্ষা চলাকালীন তিনি ধরাও পড়ে যান বলে খবর। এরপরই হস্টেলে গিয়ে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে, ওই পড়ুয়ার মৃত্যুতে মুখ খুলল আইআইটি বম্বে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ওই পড়ুয়া উত্তর খোঁজার জন্য চ্যাটজিপিটি-তে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রটি আপলোড করেছিল।আইআইটি বোম্বে জানিয়েছে যে, প্রশিক্ষক এবং বিভাগীয় প্রধান ছাত্রটির সঙ্গে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা করেছেন। ছাত্রটিকে কাউন্সেলিং করা হয়েছে এবং আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে এই ঘটনাটি তাঁর শিক্ষাজীবনে কোনও বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। আইআইটি বম্বের তরফে বলা হয়েছে, ‘ছাত্রের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশিক্ষক এবং বিভাগীয় প্রধানও ছাত্রটির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন, তাঁকে পরামর্শ দিয়েছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন যে এই ঘটনাটি তাঁর শিক্ষাজীবনে কোনও বিরূপ প্রভাব ফেলবে না।'
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে যে, ছাত্রটির মৃত্যুতে তারা ‘গভীরভাবে শোকাহত' এবং তাঁর বন্ধু, সহপাঠী, শিক্ষকসহ এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্যদের প্রতি তারা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। আইআইটি বোম্বে জানিয়েছে, ছাত্রটির মৃত্যুর ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে। ছাত্রটির মৃত্যু আইআইটি বম্বে ক্যাম্পাসে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে যে তারা এই মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান করছে। আইআইটি পাওয়াই ক্যাম্পাসে ছয় মাসের মধ্যে এটি তৃতীয় আত্মহত্যার ঘটনা। সাত মাসের মধ্যে আইআইটি বোম্বে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে এটি তৃতীয় আত্মহত্যার ঘটনা। ফেব্রুয়ারিতে হোস্টেলে দ্বিতীয় বর্ষের একজন ছাত্র আত্মহত্যা করেন। ২০২৬ সালের জুলাই মাসে, নতুন সেমিস্টার শুরুর সময়, ২০ বছর বয়সী দ্বিতীয় বর্ষের একজন বিটেক ছাত্র আত্মহত্যা করেন। এদিকে, বম্বে আইআইটি ক্যাম্পাসে পর পর আত্মহত্যা নিয়ে ছাত্র বিক্ষোভ তুঙ্গে। বিক্ষোভকারী ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি এই ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সত্য প্রকাশ করছে না।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


