ধৃত ‘ডাক্তার মডিউল’ সন্দেহভাজনরা স্পাইদের কায়দায় ইমেল চালাচালি করত! কী এই ‘ডেড ড্রপ ইমেল’?

জানা গিয়েছে, ডাক্তার মডিউলের এই ধৃতরা নিজেদের মধ্যে ‘ডেড ড্রপ ইমেল’ চালাচালি করত। কী এই ড্রপ ডেড ইমেল?

Published on: Nov 15, 2025, 20:05:03 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে ধৃত একাধিক সন্দেহভাজন জঙ্গির জেরা ইতিমধ্যেই জোরকদমে চলছে। অন্যদিকে, দিল্লি বিস্ফোরণ ঘিরে ফরিদাবাদের ধৃত ‘ডাক্তার মডিউল’র সদস্যরা রয়েছে তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে। ধৃতরা এক বিশেষ কায়দায় নিজেদের মধ্যে ইমেল চালাচালি করত বলে জানা গিয়েছে। এই বিশেষ কায়দার জেরে তাদের পরিকল্পনা, বা নাশকতার নীল নক্সা সম্পর্কে কিছুই ডিজিটাল মাধ্যমে সহজে জানা যায়নি।

কী এই ‘ডেড ড্রপ ইমেল’?
কী এই ‘ডেড ড্রপ ইমেল’?

গত ১০ নভেম্বর সকালেই ফরিদাবাদের আল ফালা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়ে একাধিক সন্দেহভাজন ডাক্তার। তাদের মধ্যে অন্যতম হল, ড. শাহিন শাহিদ, ড. মুজ্জামিলরা। এদিকে, পুলিশের নজরে ছিল আরও এক ডাক্তার, তার পরিচয় ড. উমর নবি হিসাবে। জানা গিয়েছে, দিল্লিতে বিস্ফোরণ ঘটানো গাড়িতে চালাচ্ছিল এই উমর নবি। ডিএনএ পরীক্ষার পর তা নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে বলে খবর। এদিকে, শাহিন মুজাম্মিল সহ একাধিক সন্দেহভাজন ডাক্তারকে দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে পাকিস্তানের জইশ এ মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্তকারীদের স্ক্যানারে রয়েছে এই সন্দেহভাজনরা। জানা গিয়েছে, ডাক্তার মডিউলের এই ধৃতরা নিজেদের মধ্যে ‘ডেড ড্রপ ইমেল’ চালাচালি করত। কী এই ডেড ড্রপ ইমেল? তার ফলে কোনওভাবেই টের পাওয়া যায়না ডিজিটাল মাধ্যমে কিছু।

( Bypoll Results 2025: উপনির্বাচন ২০২৫-এ কাশ্মীরে ওমরদের গড় ছিনিয়ে নিল PDP! জম্মুর নাগরোটায় BJPর ফল কী?)

মূলত, এই সন্দেহভাজনরা নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা আদানপ্রদান করে নিত একটি ইমেল অ্যাকাউন্ট শেয়ার করে। ফলত একই ইমেল অ্যাকাউন্টে অনেকে মিলে নিজেদের বক্তব্য রাখতে পারত। এই ধরনের ক্ষেত্রে কেউ কাউকে ইমেল পাঠায়না সাধারণত। শুধু নিজেদের বক্তব্য লিখে তা ড্রাফ্টে সেভ করে রাখে। এই হল ফলত, এই ইমেল-র অ্যাকাউন্টের অ্যাকসেস অন্য যে জনের কাছে রয়েছে, তিনি দেখতে পেয়ে যান সেই বক্তব্য। এই হল ‘ডেড ড্রপ ইমেল’। এই পন্থায় সন্দেহভাজনরা ‘ডেড ড্রপ ইমেল’কে কাজে লাগিয়ে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখত বলে জানা যাচ্ছে। যেহেতু ইমেল পাঠানো হত না, তাই এর টেরও ডিজিটাল মাধ্যমে পাওয়া যেত না। বলা হচ্ছে, সাধারণত গুপ্তচররা এইভাবে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখেন। ফলত ‘স্পাই’দের কায়দা রপ্ত করেই এই সন্দেহভাজনরা নিজেদের মধ্যে সংযোগ রাখত। এছাড়াও তারা সুইস অ্যাপ থ্রিমাকেও ব্যবহার করেছে বলে জানা যাচ্ছে। এও খবর, যে, এই সন্দেহভাজনরা নিজেদের যোগাযোগ রাখার জন্য আলাদা প্রাইভেট সার্ভারও তৈরি করে, যেখানে ম্যাপ ও স্থান সম্পর্কে তারা তথ্য ভাগ করে নিত।