Jaipur Murder: মরুরাজ্যে নৃশংস-কাণ্ড! ইট দিয়ে আঘাত, ঘরে মা ও ৩ মেয়ের রক্তাক্ত দেহ, পলাতক অভিযুক্ত

Jaipur Murder: জয়পুর পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (পশ্চিম) প্রশান্ত কিরণ জানান, পারিবারিক বিবাদের জের ধরে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, আসল কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

Published on: Sep 11, 2026, 22:00:34 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Jaipur Murder: রাজস্থানের জয়পুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড। ইট দিয়ে ঘুমন্ত স্ত্রী ও তিন মেয়ের মাথায় বারবার আঘাত করে চারজনকেই খুন করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এদিকে সন্ধান নেই পরিবারের কর্তার।

মরুরাজ্যে নৃশংস-কাণ্ড! (সৌজন্যে টুইটার)
মরুরাজ্যে নৃশংস-কাণ্ড! (সৌজন্যে টুইটার)

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, পারিবারিক বিবাদের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড। ঘটনায় ৪০ বছরের স্ত্রী গীতা ঝাঁ এবং তাঁর তিন মেয়ে নন্দিনী, গিরিশা ও রাধিকার মৃত্যু হয়েছে। তিন মেয়ের বয়স ১৭ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে। অভিযুক্ত রাহুল ঝাঁ, যিনি নিহত মহিলার স্বামী। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রাহুল ঝাঁ পলাতক। তবে খুনের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানাজানি হয়। ওই বাড়ি থেকে কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের সন্দেহ হলে তারা পুলিশে খবর দেন।

জয়পুরের গোবিন্দপুরা এলাকায় অবস্থিত ওই বাড়িটিতে পুলিশ পৌঁছালে সেখানে অভিযুক্ত রাহুলের ৮৫ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে দেখতে পায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চার জনের দেহ উদ্ধার করে। ইতিমধ্যে চারজনের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। জয়পুর পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (পশ্চিম) প্রশান্ত কিরণ জানান, পারিবারিক বিবাদের জের ধরে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, আসল কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা ইট ও অন্যান্য ফরেনসিক প্রমাণ উদ্ধার করেছে। ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি এবং ডগ স্কোয়াড ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ আধিকারিক বলেন, অভিযুক্ত কী কারণে এমন ভয়াবহ হামলা চালিয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, রাহুল ঝার সন্ধানে চলছে তল্লাশি। বিশেষ পুলিশ দল জয়পুরের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। পাশাপাশি, শহরের প্রবেশ ও বেরোনোর পথগুলিতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে, একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার আগে পরিবারটির মধ্যে কোনও অশান্তি চলছিল কিনা, অভিযুক্তের আচরণ কেমন ছিল এবং হত্যাকাণ্ডের সময় বাড়িতে আর কেউ উপস্থিত ছিলেন কিনা—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে ঘটনার আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।