IND W vs ENG W Lord's Test: লর্ডসে প্রথম টেস্টেই ঐতিহাসিক জয় ভারতীয় মহিলা দলের! ছেলেদের জিততে লেগেছিল ৫৪ বছর
IND W vs ENG W Lord's Test: ইতিহাস গড়ে লর্ডস টেস্ট জিতল ভারত। ইংল্যান্ডের মহিলা দলকে হারিয়ে দিলেন যস্তিকা ভাটিয়া, স্মৃতি মন্ধানা, রিচা ঘোষরা।
IND W vs ENG W Lord's Test: ঐতিহাসিক লর্ডস টেস্টে জিতল ভারত। সাড়ে তিনদিনেরও কম সময় ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানে গুঁড়িয়ে দিলেন হরমনপ্রীত কৌররা। এটাই লর্ডসে মহিলাদের প্রথম টেস্ট ছিল। আর প্রথমবারেই লর্ডসে টেস্টে খেলতে নেমে জিতে গেল ভারতীয় মহিলা দল। সেখানে ভারতীয় পুরুষ দলের লর্ডসে প্রথম টেস্ট জিততে লেগে গিয়েছিল ৫৪ বছর। লর্ডসে ভারতীয় পুরুষ দল প্রথম টেস্ট খেলেছিল ১৯৩২ সালে। আর প্রথম জয় এসেছিল ১৯৮৬ সালে।
স্মৃতির ব্যাটিং, ক্রান্তিদের বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে বড় লিড
আর ভারতের জয়ের ভিত্তিটা প্রথম ইনিংসেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। প্রথমে ব্যাট করে ২৮৫ রান তুলেছিল ভারত। সেই রানটা অবশ্য আরও বেশি রান হতে পারত। কিন্তু তিন উইকেটে ১৯০ রান থেকে ২৮৫ রানেই অল-আউট হয়ে গিয়েছিল ভারত। যদিও সেই হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি ক্রান্তি গৌড়রা। কারণ প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ১৭০ রানে আটকে দেন। ৩৭ রানে পাঁচ উইকেট নেন তারকা পেসার। দুটি করে উইকেট নেন সায়ালি সাতঘরে এবং স্নেহ রানা।
ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি যস্তিকার, ঝোড়ো ইনিংস রিচার
ক্রান্তিদের সেই গড়া সেই ভিত্তির উপরে দাঁড়িয়ে ভারতের ব্যাটাররা ইংরজেদের আরও পিষে দেন। প্রথম ইনিংসে ৮৩ রানের পরে দ্বিতীয় ইনিংসে ৭০ রান করেন স্মৃতি মন্ধানা। ৫২ বলে অপরাজিত ৫০ রান করেন রিচা ঘোষ। তবে দ্বিতীয় ইনিংসের আসল স্টার হয়ে ওঠেন যস্তিকা ভাটিয়া। ১১৩ রান করে প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ২১২ বছরের লর্ডস স্টেডিয়ামে টেস্টের অনার্স বোর্ডে নাম তুলে ফেলেন। তাঁদের সেই মিলিত পারফরম্যান্সের সুবাদে দ্বিতীয় ইনিংসে সাত উইকেটে ৩৪১ রানে ডিক্লেয়ার করে দেয় ভারত।
লর্ডসে ঐতিহাসিক জয় ভারতের
মাথায় ৪৫৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে চতুর্থ ইনিংসে প্রবল চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড। পরপর উইকেট হারাতে থাকে। প্রথম উইকেট পড়ে দু'রানে। ছয় রানে হারায় দ্বিতীয় উইকেট। তৃতীয় এবং চতুর্থ উইকেট পড়ে যায় যথাক্রমে ২৩ রান এবং ৩৪ রানে। একটা সময় পাঁচ উইকেটে ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ৫৯ রান। তখন মনে হচ্ছিল যে তৃতীয় দিনেই হেরে যাবে ইংল্যান্ড।
আরও পড়ুন: FIFA World Cup: ২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দল? ফিফার নয়া পরিকল্পনায় কী কপাল খুলবে ভারতের?
তবে ইংরেজদের মান-সম্মান কিছুটা রক্ষা করেন অ্যালিস ক্যাপসি এবং ম্যাডি ভি'লিয়ার্স। তাঁরা দু'জন মিলে ষষ্ঠ উইকেটে ৬৭ রান যোগ করেন। পরবর্তীতে সোফি একলেস্টোন (৫০ রান) লড়াই করলেও কোনও লাভ হয়নি। ১৮৬ রানে অল-আউট হয়ে যান ইংল্যান্ড। ভারতের হয়ে চারটি উইকেট নেন স্নেহ। দুটি করে উইকেট পান সায়লি, ক্রান্তি এবং দীপ্তি শর্মা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


