উগ্রপন্থার টুঁটি চেপে ধরতে ‘ইন্টেল শেয়ারিং’ নিয়ে বড় বার্তা কানাডায় ভারতের দূতের! বাণিজ্য নিয়ে মুখ খুললেন গোয়েলও
পট্টনায়ক বলেন,'এই গ্যাংগুলির সম্পর্কে আমাদের কাছে যতই গোয়েন্দা তথ্য থাকুক না কেন.. বিষ্ণোই গ্যাং এবং শিখ গ্যাং উভয়ই এখানে কাজ করছে এবং বিশ্বব্যাপী কার্টেলের সাথে যুক্ত, আমরা তা ভাগ করে নিচ্ছি।'
সদ্য দক্ষিণ আফ্রিকায় শেষ হওয়া জি ২০ সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির। ইতিমধ্যেই ২০২৬ সালে কার্নিকে ভারতে আমন্ত্রণ করেছে দিল্লি। তাতে সাড়াও দিয়েছেন তিনি। খলিস্তান ইস্যু ঘিরে বহু দিন পর কানাডা ও ভারত মাঝের দ্বন্দ্ব পার করে কাছাকাছি আসছে। তারই মাঝে উগ্রপন্থা থেকে অপরাধমূলক গ্যাং নিয়ে 'ইন্টেল শেয়ারিং'( গোয়েন্দা তথ্য ভাগ করে নেওয়া) এর বিষয়ে বড় বার্তা দিলেন কানাডায় ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ পট্টনায়ক। অন্যদিকে, কানাডা ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে ‘ইন্দো কানাডিয়ান বিজনেস চেম্বার’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের সম্ভাবনার তথ্য তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

ভারত-কানাডা বাণিজ্য সম্ভাবনা নিয়ে গোয়েল:-
‘ইন্দো কানাডিয়ান বিজনেস চেম্বার’র অনুষ্ঠানে পীযূষ গোয়েল বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তিতে আমাদের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে, পারমাণবিক শক্তিতে একটি ভাল সম্ভাবনা রয়েছে।’ তিনি এই বিষয়ে বলতে গিয়ে ইউরেনিয়াম সরবরাহের কথাও তোলেন। ইতিমধ্যেই, প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ত্রিদেশীয় এক অংশিদারিত্বে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়েছে দিল্লি।
(Guava Buying tips: পেয়ারা মিষ্টি কি না চিনবেন কীভাবে? রইল খুব সহজ কিছু টিপস )
উগ্রপন্থা নিয়ে কী বললেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত?
সদ্য এক চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কানাডায় ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ পট্টনায়ক জানান, কনিষ্ক বম্বিং-র পরবর্তী সময়ে কানাডায় থাকা উগ্রপন্থা নিয়ে নানান তথ্য ওটাওয়াকে দিয়েছে দিল্লি। তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন,' কানাডায় বিষ্ণোই গ্যাং নিষিদ্ধ হওয়ায় আমরা খুশি। লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আমাদের জেলে আছে, আর তার আরেক ভাই আমেরিকায় আছে। গত সপ্তাহে আমেরিকানরা তাকে অভিযোগের মুখোমুখি করার জন্য ভারতে প্রত্যর্পণ করেছে।' তিনি জানান ভারত এই সমস্ত বিষয়ে অ্যাকশন নিতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন,' এই গ্যাংগুলির সম্পর্কে আমাদের কাছে যতই গোয়েন্দা তথ্য থাকুক না কেন.. বিষ্ণোই গ্যাং এবং শিখ গ্যাং উভয়ই এখানে কাজ করছে এবং বিশ্বব্যাপী কার্টেলের সাথে যুক্ত, আমরা তা ভাগ করে নিচ্ছি।'
দীনেশ পট্টনায়ক বলেন,'বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসীদের নিজস্ব সংগঠন এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগের নিজস্ব উপায় রয়েছে। এখানে এমন কিছু গোষ্ঠী রয়েছে যারা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন গোষ্ঠীর সাথে কাজ করছে।' এই ক্ষেত্রেই তথ্য আদানপ্রদানের বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা এলে ‘রাস্তা চলতি মানুষ নিরাপদ থাকবেন’, বলে বার্তা দিয়েছেন পট্টনায়ক। তাঁর সাফ কথা,'গত ৪০ বছর ধরে, আমরা এয়ার ইন্ডিয়ার কনিষ্ক বোমা হামলার পর থেকে কানাডার অভ্যন্তরে চরমপন্থীদের উপস্থিতি নিয়ে কথা বলে আসছি। আমরা এই বিষয়টি উত্থাপন করে প্রমাণ সরবরাহ করে আসছি। দুই দেশ যথেষ্ট পরিণত, এবং আমাদের এমন একটি সম্পর্ক দরকার যেখানে আমরা আলোচনা করতে পারি কিভাবে রাস্তায় মানুষকে নিরাপদ রাখা যায়।' তিনি দুই দেশের NSA (জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) স্তরে আলোচনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন,'অপারেশনাল হাব এবং আর্থিক প্রবাহের উপর গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


