India-Bangladesh Border Latest Update: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা, বর্ডারে বাংলাদেশি গ্রামবাসীদের জড়ো করল বিজিবি!

বাংলাদেশের দাবি, সীমানা পিলার ২৮৯/৫১এস এবং ২৮৯/৫৬এস-এর কাছাকাছি ভারতের নিচা গোবিন্দপুর এলাকায় বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করছিলেন। এরপর তাঁদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

Published on: Sep 7, 2026, 11:24:07 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ফের ‘পুশ-ব্যাক’ ঘিরে উত্তেজনা। বাংলাদেশের দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দাউদপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ৬০ থেকে ৭০ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে তাদের দেশের দিকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বাংলাদেশি গ্রামবাসীর বাধায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয়েছে সতর্কতা।

বাংলাদেশের দাবি, সীমানা পিলার ২৮৯/৫১এস এবং ২৮৯/৫৬এস-এর কাছাকাছি ভারতের নিচা গোবিন্দপুর এলাকায় বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করছিলেন। (Shanky Rathore)
বাংলাদেশের দাবি, সীমানা পিলার ২৮৯/৫১এস এবং ২৮৯/৫৬এস-এর কাছাকাছি ভারতের নিচা গোবিন্দপুর এলাকায় বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করছিলেন। (Shanky Rathore)

রবিবার রাতে বাংলাদেশের জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (বিজিবি ২০) আওতাধীন দাউদপুর সীমান্তে (ভারতের দিকে - দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলাকার নিচা গোবিন্দপুর) ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশের দাবি, সীমানা পিলার ২৮৯/৫১এস এবং ২৮৯/৫৬এস-এর কাছাকাছি ভারতের নিচা গোবিন্দপুর এলাকায় বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করছিলেন। এরপর তাঁদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

তবে ঘটনাটি ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে ওই ব্যক্তিদের পরিচয় নিয়েই। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, তাঁদের বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করা হলেও বিজিবি ও গ্রামবাসীর বাধায় তাঁরা আর এগোতে পারেননি। ফলে প্রশ্ন উঠছে—যাঁদের বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ, তাঁরা কারা? তাঁদের পরিচয় যাচাই না করেই কি বাংলাদেশ সীমান্তে আটকে দিচ্ছে? নাকি তাঁদের নিজেদের নাগরিক বলেও স্বীকার করতে অনীহা রয়েছে? এরই সঙ্গে আরও একটা প্রশ্ন সামনে আসছে, বিএসএফের পুশ ব্যাক ঠেকাতে কেন স্থানীয় গ্রামবাসীদের সীমান্তে জড়ো করছে বিজিবি? জেনে বুঝেই কি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধির পথে হাঁটছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ?

ভারতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। সীমান্তে পরিচয়-নির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। কিন্তু কোনও ব্যক্তিকে একবার বাংলাদেশি বলে দাবি করা হলে তাঁকে গ্রহণ করার দায়িত্বও সংশ্লিষ্ট দেশের প্রশাসনের। অথচ এবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা বহু নারী-পুরুষকে নিয়ে উল্টো টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁদের বাংলাদেশে ঢোকার পথও বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও সীমান্তরক্ষীরা।

দক্ষিণ দাউদপুরের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মইনুল ইসলাম বাংলাদেশি সংংমাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিএসএফ কয়েকজন নারী-পুরুষকে দাউদপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল। বিষয়টি জানতে পেরে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় বিজিবি সেই উদ্যোগ প্রতিহত করে। এরপর থেকেই সীমান্তে বিজিবি, গ্রাম পুলিশ, আনসার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক রাখা হয়েছে।

দাউদপুর বিজিবি বিওপি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার মাহাবুবুর রহমান জানিয়েছেন, বিজিবির বাধার কারণে বিএসএফ একজনকেও বাংলাদেশে পাঠাতে পারেনি। স্থানীয় মানুষও বিজিবিকে সহযোগিতা করেছেন বলে তিনি জানান।

ঘটনাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই সীমান্তে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, যে বাংলাদেশিরা অবৈধ উপায়ে ভারতে ঢুকেছিল, সময়ে সময়ে ভারত থেকে আবার বাংলাদেশে নিজেদের পরিবারকে তারা টাকা পাঠায়, তাদের কেন গ্রহণ করছে না বাংলাদেশ? এটা কি শুধুই জেদ নাকি ভারতের সঙ্গে পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া বাঁধানোর চেষ্টা?

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More