India-Bangladesh Diesel Pact: ১৮০০০০ টন ডিজেল যাবে ভারত থেকে, তারপরও বাংলাদেশকে ৫০০০০ টন অতিরিক্ত তেল দেবে দিল্লি?
১০ মার্চ ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পাঠানো হয়। এই তেলটি অবশ্য ভারত-বাংলাদেশ চুক্তির অধীনে পাঠানো হয়েছে বলে স্পষ্ট করেছে সরকার। জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখতে এবং দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার জরুরিভিত্তিতে ভারতের থেকে তেল চেয়েছিল।
ইরান যুদ্ধের আবহে জ্বালানি সংকট বিশ্ব জুড়ে। আর তাতেই নাজেহাল বাংলাদেশও। এই আবহে এবার ভারতের কাছে সাহায্যের হাত বাড়াতে হল বাংলাদেশকে। ভারতের থেকে অতিরিক্ত ডিজেল চেয়েছে বাংলাদেশ। এদিকে গত ১০ মার্চ ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পাঠানো হয়। এই তেলটি অবশ্য ভারত-বাংলাদেশ চুক্তির অধীনে পাঠানো হয়েছে বলে স্পষ্ট করেছে সরকার। জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখতে এবং দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার জরুরিভিত্তিতে ভারতের থেকে তেল চেয়েছিল। এই আবহে ভারতের অসমের নুমালিগড় তেল শোধনাগার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে সেই ডিজেল বাংলাদেশকে দেওয়া হয়।

রিপোর্ট অনুযায়ী, এই পাইপলাইন দিয়ে আগামী ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল আনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। গত ৮ মার্চ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুরোধ করেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই আবহে দিল্লি জানাচ্ছে, ভারতে কতটা তেল মজুদ আছে, তার ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত তেল দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এমনিতে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির চুক্তি ছিল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে। তবে ইউনুস জমানায় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপড়েনে তা বন্ধ ছিল।
এমনিতে বাংলাদেশে বাইকে ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার করে তেল দেওয়ার নিয়ম চালু করা হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য আগাম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং ইদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে। বাংলাদেশে অবশ্য এর আগে থেকেই গ্যাসের সংকট ছিল। ইউনুস জমানা থেকেই সিলিন্ডারের কালো বাজারি বেড়েছিল। গ্যাসের সিলিন্ডার ২-৩ গুণ দামে বিক্রি হচ্ছিল বাংলাদেশে। আর বর্তমানে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় আরও বিপাকে বাংলাদেশ। এর মাঝেও অনেক জায়গায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে পেট্রোল পাম্প। যেখানে পাম্প খোলা, সেখানেও গাড়ির লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper












