Centre on Shehzad Bhatti Gang: ময়দানে এবার অমিত শাহের মন্ত্রক! ISI সমর্থিত শেহজাদ ভাট্টি গ্যাংকে নিয়ে পদক্ষেপে দিল্লি

শেহজাদ ভাট্টি গ্যাংকে নিয়ে পদক্ষেপে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

Published on: Sep 16, 2026, 16:17:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কিছুদিন আগেই গোটা দেশে অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানের গুপ্তচর বাহিনী সমর্থিত শেহজাদ ভাট্টি গ্যাংয়ের ২০০র বেশিজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার সেই পাকিস্তানের গুপ্তচর বাহিনী আইএসআই-র ছায়ায় ডালপালা বিস্তার করা শেহজাদ ভাট্টির নেটওয়ার্ককে ইউএপিএ-র আওতায় সন্ত্রাসবাদী তকমা দিল দিল্লি। ইতিমধ্যেই অমিত শাহের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এই তাবড় ঘোষণা করেছে।

ISI সমর্থিত শেহজাদ ভাট্টি গ্যাংকে নিয়ে পদক্ষেপে দিল্লি!ময়দানে অমিত শাহের মন্ত্রক  (Photo by Bachchan Kumar/ Hindustan Times) (Hindustan Times)
ISI সমর্থিত শেহজাদ ভাট্টি গ্যাংকে নিয়ে পদক্ষেপে দিল্লি!ময়দানে অমিত শাহের মন্ত্রক (Photo by Bachchan Kumar/ Hindustan Times) (Hindustan Times)

‘333' সংখ্যা যুক্ত ইউজারনেম রয়েছে এমন সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল গিজগিজ করছে নেটপাড়ায়। এনডিটিভির রিপোর্ট বলছে, শেহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের সিগনেচার পরিচিই হল ‘333' সংখ্যাটি। রিপোর্ট অনুযায়ী, নেটপাড়ায় এমন বহু প্রোফাইল রয়েছে যেখানে, হয় শেহজাদ ভাট্টির নাম আছে,কিম্বা কোথাও ‘333' সংখ্যাটি ইউজার নেম-এ ব্যবহার করা হয়েছে। মূলত, ভাট্টি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইউটিউবে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, পেজ, গ্রুপ ও ব্রডকাস্ট চ্যানেলের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। এদিকে, আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, এই শেহজাদ ভাট্টি গ্যাং তরুণ ও ছোটখাটো অপরাধীদের সন্ত্রাসবাদে উসকানি দেওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলা হয়েছে, 'সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' বা কঠোরতম অবস্থানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA) 'শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক'-কে ইউএপিএ (UAPA)-র আওতায় একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই গোষ্ঠীটি যুবসমাজ ও ছোটখাটো অপরাধীদের সন্ত্রাসবাদের পথে প্ররোচিত করার পাশাপাশি সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদক পাচারের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত। ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামো ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে লক্ষ্যবস্তু করে এই চক্রটি বিদ্বেষপূর্ণ ডিজিটাল কনটেন্টও প্রকাশ করেছে।'

শোনা যায় এই শোহবাজ ভাট্টির ডেরা হচ্ছে আমিরশাহি। সেখান থেকেই নেটওয়ার্ক চালায় সে। কখনও পর্তুগালেও তার থাকার খবর উঠে এসেছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে, টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক খবর অনুযায়ী, পর্তুগালে শেহবাজ ভাট্টিকে নিশানা করেছিল ভারতের লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বলছে, ‘শেহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক (এসবিএন)’ এমন একটি সংগঠন যার উদ্দেশ্য হল সরলমনা যুবক ও স্থানীয় অপরাধীদেরকে সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদক চোরাচালানে জড়িত করা এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার প্রতি গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করা।' অমিত শাহের মন্ত্রক বলছে, ‘যেহেতু, ‘শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক (এসবিএন)’ জনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী সহিংস কার্যকলাপের মাধ্যমে এবং বিভিন্ন ডিজিটাল যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করছে, যা জাতির অখণ্ডতার প্রতি একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।'

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More