Narco-trafficking kingpin: ঐতিহাসিক সাফল্য! মাদক পাচারে অভিযুক্তকে প্রত্যর্পণ তুরস্কের, বড় ঘোষণা অমিত শাহ'র

Narco-trafficking kingpin Navpreet Singh: ভারত ও তুরস্কের মধ্যে ২০০১ সালে প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ২০০২ সালের জুনে কার্যকর হয়।

Published on: Oct 3, 2026, 12:42:55 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Narco-trafficking kingpin Navpreet Singh: আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সাফল্য ভারতের। তুরস্ক থেকে আন্তর্জাতিক মাদক পাচারে অন্যতম অভিযুক্ত নভপ্রীত সিংকে ভারতে ফিরিয়ে আনার ঘটনাকে 'ঐতিহাসিক মাইলফলক' হিসেবে উল্লেখ করে নরেন্দ্র মোদী সরকারের প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানান, তুরস্কের নাগরিকত্ব নেওয়ার সময় নভপ্রীত সিং 'নবান ভির্ক' নামে ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করেছিলেন।

আন্তর্জাতিক মাদক পাচারে অন্যতম অভিযুক্ত নভপ্রীত সিং (Handout )
আন্তর্জাতিক মাদক পাচারে অন্যতম অভিযুক্ত নভপ্রীত সিং (Handout )

এক্স হ্যান্ডলে অমিত শাহ লেখেন, ‘নবান ভির্ক নামে ভুয়ো পরিচয়ে ওই ব্যক্তি তুরস্কে বসবাস করছিলেন। এই সফল প্রত্যর্পণ মোদী সরকারের কৃতিত্বের এক মাইলফলক।’ অমিত শাহ জানান, নভপ্রীত তুরস্কে বসেই আফগানিস্তান থেকে ভারতে ক্রমাগত হেরোইন ও মেথামফেটামিন পাচার করছিলেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি টানা অভিযান চালিয়ে তাঁর মাদক-কারবারের বিষয় ও আসল পরিচয় সবার সামনে নিয়ে আসে ও তাঁর প্রত্যর্পণ নিশ্চিত করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, ‘নরেন্দ্র মোদী সরকার ২০২৯-এর ডিসেম্বরের মধ্যে সব রকম মাদক চক্র ধ্বংস করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’

এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে গ্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও মাদক পাচারের সন্দেহভাজন মহম্মদ সেলিম ডোলাকে তুরস্ক থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। মে মাসে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)-র সমন্বয়ে ৩৫৮ কেজি হেরোইন উদ্ধারের একটি বড় মাদক মামলায় অভিযুক্ত পলাতক প্রভদীপ সিংকেও আজারবাইজান থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়। বলে রাখা প্রয়োজন, ভারত ও তুরস্কের মধ্যে ২০০১ সালে প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ২০০২ সালের জুনে কার্যকর হয়। এই চুক্তির আওতায় সন্ত্রাসবাদ ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত পলাতকদের একে অপরের দেশে হস্তান্তরের সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের ক্ষেত্রে ইন্টারপোলের রেড নোটিস-সহ নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়াও ব্যবহার করা হয়।

গত ২২ সেপ্টেম্বর দেশের যুবসমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে এবং মাদকমুক্ত ভারত গঠনের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয় অ্যান্টি-নারকোটিক্স টাস্ক ফোর্সের (এএনটিএফ) রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রধানদের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলন। সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকমুক্ত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে সরকার। ২০২৯-এর ৩১ ডিসেম্বর নাগাদ দেশ থেকে মাদক ব্যবসা উৎপাটিত হবে বলে তিনি প্রত্যয়ী। বিগত ৫ বছরে কাশ্মীরে সন্ত্রাস, উত্তরপূর্বে বিদ্রোহ এবং নকশালবাদের মতো সমস্যার মোকাবিলায় সাফল্য এসেছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য। মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন হলেও তা চালিয়ে যেতে হবে বলে তিনি মনে করিয়ে দেন। ২০৪৭ নাগাদ বিকশিত ভারতের স্বপ্নপূরণ সম্ভব করে তুলতে মাদকমুক্ত ভারত তৈরি হওয়া প্রাথমিক শর্ত বলে উল্লেখ করেন তিনি।