Javelin anti-tank missile: পাকিস্তানের বুকে কাঁপুনি ধরিয়ে USর থেকে বিধংসী 'জ্যাভলিন' কেনার পরিকল্পনা ভারতের

Javelin anti-tank guided missile: মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, জ্যাভলিন কেনার বিষয়ে ভারতের সিদ্ধান্ত দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

Published on: Aug 28, 2026, 18:58:34 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Javelin anti-tank guided missile: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল সিস্টেম (Javelin anti-tank missile) কেনার পরিকল্পনা করছে ভারত। এমনটাই জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। তিনি এটিকে ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক সিস্টেমের যৌথ উৎপাদনের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন।

USর থেকে বিধংসী 'জ্যাভলিন' কেনার পরিকল্পনা ভারতের (সৌজন্যে টুইটার)
USর থেকে বিধংসী 'জ্যাভলিন' কেনার পরিকল্পনা ভারতের (সৌজন্যে টুইটার)

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, জ্যাভলিন কেনার বিষয়ে ভারতের সিদ্ধান্ত দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি ২০২৬ সালের মে মাসে শাংরি-লা সংলাপে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের দেওয়া মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন যে, এই চুক্তিটি ভারতে জ্যাভলিনের যৌথ উৎপাদনের পথও প্রশস্ত করতে পারে। তাঁর কথায়, 'বড় খবর! ভারত যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল সিস্টেম কেনার পরিকল্পনা করছে।' তিনি এটিকে 'মার্কিন-ভারত প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি' বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন যে এই উন্নয়ন 'যৌথ উৎপাদনের সম্ভাবনার দরজা উন্মুক্ত করেছে।' সার্জিও গোর আরও বলেন, 'আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পৃক্ততা এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে!' পরে মার্কিন দূতাবাস জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল সিস্টেম ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, এই মাইলফলক 'মার্কিন ও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘ অংশীদারিত্বের প্রতিফলন এবং মার্কিন ও ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দরজা উন্মুক্ত করেছে।'

ভারত দীর্ঘদিন ধরেই তার সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী সক্ষমতা জোরদার করার জন্য কাজ করে আসছে। জ্যাভলিন সিস্টেমের সম্ভাব্য অধিগ্রহণকে এই কৌশলেরই একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ধরনের অস্ত্র ট্যাঙ্ক এবং সাঁজোয়া যান মোকাবেলার জন্য, বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায়, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ২০২৫ সালের নভেম্বরে মার্কিন বিদেশ দফতর ভারতের কাছে ৯ কোটি ৩০ লক্ষ ডলার মূল্যের সম্ভাব্য একটি বিক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করে। এর আওতায় ১০০টি পর্যন্ত 'জাভলিন' (Javelin) সিস্টেম এবং ২১৬টি 'এক্সক্যালিবার' (Excalibur) গাইডেড আর্টিলারি প্রজেক্টাইল অন্তর্ভুক্ত ছিল। ভারত ইতিমধ্যেই তাদের এম৭৭৭ (M777) হাউৎজার কামানের সঙ্গে 'এক্সক্যালিবার' গোলাবারুদ ব্যবহার করছে।

ভারত আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-নির্মিত বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম ও যান সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাপাচি ও চিনুক হেলিকপ্টার, সি-১৭ ও সি-১৩০জে পরিবহন বিমান, পি-৮আই সামুদ্রিক টহল বিমান এবং এম৭৭৭ হাউৎজার। এর আগে জুলাই মাসে ওয়াশিংটন জানিয়েছিল যে, দেশ দুটি বেসামরিক পারমাণবিক শক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য উদীয়মান প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও তাদের সহযোগিতার পরিধি বাড়াচ্ছে।