Ind on 6th Generation Fighter Jet: ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির প্রকল্পে যোগ দেওয়ার উদ্যোগ ভারতের, জানাল সংসদীয় কমিটি

শুক্রবার সংসদে পেশ করা কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, আধুনিক যুদ্ধব্যবস্থা ক্রমশ আকাশকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। ফলে ভারতের আকাশসীমার যুদ্ধক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির পরিকল্পনা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

Published on: Aug 8, 2026, 08:22:01 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

India on 6th Generation Fighter Jet: আকাশযুদ্ধের বদলে যাওয়া চরিত্রের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরও এক ধাপ এগোতে চাইছে ভারত। ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান বা ‘৬জি ফাইটার জেট’ তৈরির আন্তর্জাতিক প্রকল্পে যোগ দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ফরাসি সরকারের নেতৃত্বাধীন ‘ফিউচার কমব্যাট এয়ার সিস্টেম’ (FCAS)-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা ও পরিকল্পনা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংসদীয় প্রতিরক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটি।

ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান বা ‘৬জি ফাইটার জেট’ তৈরির আন্তর্জাতিক প্রকল্পে যোগ দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। (AP Photo/Michel Euler)
ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান বা ‘৬জি ফাইটার জেট’ তৈরির আন্তর্জাতিক প্রকল্পে যোগ দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। (AP Photo/Michel Euler)

শুক্রবার সংসদে পেশ করা কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, আধুনিক যুদ্ধব্যবস্থা ক্রমশ আকাশকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। ফলে ভারতের আকাশসীমার যুদ্ধক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির পরিকল্পনা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে একটি নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করে পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় দ্রুত অগ্রসর হওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।

রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য দুটি বড় আন্তর্জাতিক জোট কাজ করছে। একটি জোটে রয়েছে ব্রিটেন, ইতালি ও জাপান। অন্য জোটটি ফ্রান্স ও জার্মানির নেতৃত্বে। দুই জোটই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। ভারতীয় বায়ুসেনাও এই দুই জোটের কোনও একটির সঙ্গে হাত মেলানোর চেষ্টা করবে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানানো হয়েছে।

বিশেষ করে ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন FCAS প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। মন্ত্রকের তরফে কমিটিকে জানানো হয়েছে, ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির FCAS কর্মসূচির সঙ্গে যৌথভাবে যুক্ত হওয়ার জন্য ‘সমন্বিতভাবে’ উদ্যোগ শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি, এই ধরনের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কীভাবে এবং কোন সময়সীমার মধ্যে ভারত অধিগ্রহণ করতে পারে, তার একটি রোডম্যাপও চাওয়া হয়েছে।

সংসদীয় কমিটির বক্তব্য, ভবিষ্যতের উন্নত যুদ্ধবিমানের ক্ষেত্রে ভারত যাতে পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্য এখন থেকেই ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করা জরুরি। তাই ভারতীয় বায়ুসেনাকে দ্রুত এই ধরনের যুদ্ধবিমানকে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি ভারতের নিজস্ব ‘অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট’ বা AMCA প্রকল্প নিয়েও অগ্রগতি হচ্ছে। সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, AMCA-এর নকশা ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে এবং এর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা চলছে। ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিমান প্রযুক্তির আধুনিকীকরণকে ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে কমিটি।

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে ভারতকে যুক্ত করাই এখন মূল লক্ষ্য। AMCA ভারতের নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। তার পাশাপাশি ষষ্ঠ প্রজন্মের আন্তর্জাতিক প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতের যুদ্ধবিমান প্রযুক্তি, উন্নত সেন্সর, নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধ এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রে ভারত গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা পেতে পারে।

সংসদীয় কমিটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছে ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রকল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, অধিগ্রহণের পরিকল্পনা, সম্ভাব্য সময়সীমা এবং তৈরি করা রোডম্যাপের বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। একই সঙ্গে AMCA-এর উন্নয়ন ও নির্মাণের অগ্রগতির রিপোর্টও পরবর্তী ‘অ্যাকশন টেকেন স্টেটমেন্ট’-এর সঙ্গে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More