India-Pak Back Channel Talks: ব্যাক চ্যানেলে কথা চলছে ভারত-পাকিস্তানের, দোহায় হয়েছে বৈঠক, দাবি রিপোর্টে
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাকি ভারত ও পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল কাতারের দোহায়। উল্লেখ্য, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে 'ব্যাক-চ্যানেল' আলোচনা চলছে বিগত কয়েক দশক ধরে।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরকারি স্তরে সম্পর্ক পুরোপুরি তলানিতে। তবে 'ট্র্যাক ২' চ্যানেলে নাকি দুই দেশ কূটনৈতিক ভাবে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাকি ভারত ও পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল কাতারের দোহায়। উল্লেখ্য, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে 'ব্যাক-চ্যানেল' আলোচনা চলছে বিগত কয়েক দশক ধরে।

বিগত বছরগুলিতে উরি-পুলওয়ামার মতো জঙ্গি হামলার পর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা পুরোপুরি বন্ধ ছিল। তবে সেই সময় দোহায় দুই দেশের কূটনীতিক এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে গোপন বৈঠক করেছিল ভারত। সেই আলোচনার মাধ্যমেই আগের পাকিস্তানি সেনাপ্রধান কামার বাজওয়ার সময় ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতি চুক্তি বাস্তবায়িত হয়েছিল।
এদিকে ব্যাক চ্যানেলে আলোচনা চললেও দুই দেশের সরকারি স্তরে এখনও তিক্ততা রয়েছে। এই আবহে সম্প্রতি পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় সতর্ক করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। আর তার জবাবে মুখ খুললেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাডা আসিফ। সম্প্রতি কেরলে একটি জনসভায় রাজনাথ সিং অপারেশন সিঁদুরের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, 'ভারত শান্তিপ্রিয় দেশ হলেও সীমান্তে কোনওরকম আঘাত সহ্য করবে না।' আর এর জবাবে এবার খাজা আসিফ বললেন, 'পাকিস্তান শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংকল্পে পাকিস্তান অটল। আমাদের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি রয়েছে এবং আমরা দ্রুত, সুচিন্তিত ও চূড়ান্ত জবাব দিতে তৈরি।' তিনি দাবি করেন, পহেলগাঁও বার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের বাগাড়ম্বর 'দৃশ্যমান কৌশলগত উদ্বেগের' প্রতিফলন।
উল্লেখ্য, কেরলের ভাষণে রাজনাথ সিং বলেছিলেন, 'ভারত বরাবরই প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। কিন্তু সেই ইচ্ছাকে যেন ভারতের দুর্বলতা বলে ভুল করা না হয়। সীমান্তে স্থিতিশীলতা নষ্ট করার যে কোনও অপপ্রয়াস রুখে দিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত।' প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত তার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যে কোনও পর্যায়ে ব্যবস্থা নিতে তৈরি।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper











