Indian Company US Steel Plant: মার্কিন মাটিতে ‘বৃহত্তম’ স্টিল প্লান্ট নিয়ে ময়দানে নামছে ভারতের এসার গ্রুপ!ট্রাম্প বলছেন…

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন, ‘আমার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই আমি সমস্ত বিদেশি ইস্পাতের ওপর শক্তিশালী ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করি এবং এখন আমাদের ইস্পাত শিল্প সগৌরবে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে।’

Published on: Sep 29, 2026, 06:42:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

আমেরিকার মাটিতে এবার ভারতীয় সংস্থা এসার গ্রুর এক তাবড় স্টিল প্ল্যান্ট তৈরি করতে চলেছে। সদ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার আইওয়াতে ১৫ বিলিয়ন ডলারের একটি ইস্পাত কমপ্লেক্সের পরিকল্পনা উন্মোচন করেছেন। এই কমপ্লেক্স ভারতীয় সংস্থা এসার গ্রুপের। মার্কিন মাটিতে এই বিপুল বিনিয়োগ নিয়ে আপ্লুত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

মার্কিন মুলুকে ‘বৃহত্তম’ স্টিল প্লান্ট ভারতের এসার গ্রুপের! ট্রাম্প বলছেন… (Photo by Kent NISHIMURA / AFP) (AFP)
মার্কিন মুলুকে ‘বৃহত্তম’ স্টিল প্লান্ট ভারতের এসার গ্রুপের! ট্রাম্প বলছেন… (Photo by Kent NISHIMURA / AFP) (AFP)

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন, ‘আমার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই আমি সমস্ত বিদেশি ইস্পাতের ওপর শক্তিশালী ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করি এবং এখন আমাদের ইস্পাত শিল্প সগৌরবে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। সবাই এখানে তাদের কারখানা তৈরি করছে কারণ তারা শুল্ক দিতে চায় না।’ মেসাবি মেটালিকসের মালিক ভারতীয় বহুজাতিক সংস্থা এসার গ্রুপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট ১৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। রয়টার্সের মতে , প্রস্তাবিত ইস্পাত কমপ্লেক্সটি একটি সম্পূর্ণ সমন্বিত কার্যক্রম হিসেবে পরিকল্পিত। মেসাবি মেটালিকস মিনেসোটায় অবস্থিত তাদের খনি থেকে উত্তোলিত লৌহ আকরিক আইওয়াতে পরিবহন করার পরিকল্পনা করেছে, যেখানে এটিকে প্রক্রিয়াজাত করে ইস্পাতে পরিণত করা হবে। ২০৩০ সালে প্রথম ইস্পাত উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, তথ্য বলছে, আমেরিকায় ২০২৮ সালের নভেম্বর মাসে রয়েছে সেদেশের পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্ব। সেদিক থেকে এই ইস্পাত উৎপাদনের প্রক্রিয়া সেই নির্বাচনের পরে শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, ট্রাম্প মিনেসোটা কার্যক্রমের তাৎপর্য তুলে ধরে এটিকে পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নতুন লৌহ আকরিকের খনি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ট্রাম্প বলছেন, ‘আজ আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, মেসাবি মেটালিকস আইওয়া রাজ্যে আমেরিকার ইতিহাসে বৃহত্তম ইস্পাত কারখানাটি নির্মাণ করবে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম কারখানা, অন্যতম বৃহত্তম কারখানা, তবে এটি আমেরিকার বৃহত্তম কারখানা’ ট্রাম্পের মতে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৬,০০০ নির্মাণ খাতের কর্মসংস্থান এবং প্রায় ২,০০০ স্থায়ী উৎপাদন ও খনি খাতের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, মার্কিন মুলুকে এই প্রকল্পের উদ্বোধন ঘিরে এসার গ্রুপের প্রধান রবি রুইয়া এক পোস্টে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। তিনি সেই পোস্টে লেখেন, ‘আমেরিকায় জিনিসপত্র তৈরির গুরুত্ব ফিরিয়ে আনার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ ... আইওয়ার নতুন ইস্পাত কমপ্লেক্সের মাধ্যমে আমরা সম্পূর্ণ সমন্বিত আমেরিকান সরবরাহ শৃঙ্খল পূর্ণ করব।’ উল্লেখ্য, এসসার গ্রুপ দুই ভাই শশী ও রবি রুইয়া দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ইস্পাত, জ্বালানি ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে এর ব্যবসা রয়েছে। প্রসঙ্গত, এসার-এর ভারতীয় কার্যক্রমের মধ্যে গুজরাটের হাজিরায় একটি ১০ মিলিয়ন টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ইস্পাত কারখানা রয়েছে। এছাড়া, এই গ্রুপটির মালিকানায় রয়েছে স্ট্যানলো শোধনাগার এবং সৌদি আরবে একটি স্বল্প-কার্বন ইস্পাত প্রকল্পের পরিকল্পনা করেছে এই বাণিজ্যিক গোষ্ঠী।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More