International Physics Olympiad: ব়্যাঙ্ক ১! আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে ভারতের ৫ সোনার মেডেল, বাঙালি অধ্যাপক…
আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদার্থবিদ্যার ময়দানে বিশ্বসেরার স্থান দখল ভারতের।
৮৭ টি দেশ। ৩৮১ জন ছাত্রছাত্রী। আর সেই ৩৮১ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ভারতের ৫ ছাত্রছাত্রী জিতে নিলেন ৫ টি সোনার মেডেল। দেশ পেল প্রথম স্থানাধিকারের সম্মান! ২০২৬ আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে প্রথম স্থান ভাগ করে নিল ভারত। একইসঙ্গে এই প্রথম স্থান ভারতের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছে, চিন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওওয়ান।

পর্দাথবিদ্যার আঙিনায় এই সম্মান, ৫৬ তম ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে ভারতকে এনে দিলেন দেশের ৫ তুখোর মেধাবী ছাত্রছাত্রী। ভারতের স্বর্ণপদক বিজয়ীরা হলেন পুনের কানসিস্ক জৈন, ইন্দোরের রিদ্ধেশ অনন্ত বেন্দালে, দিল্লির ঋষিত গর্গ, মুম্বাইয়ের শ্রেষ্ঠ সুরাইয়া এবং আমদাবাদের স্বাইত জোশি। তবে এই সম্মানের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাঙালির নামও! এই ছাত্রছাত্রীদের গাইড করেছেন এইচবিসিএসই-টিআইএফআর-র অধ্যাপক অন্বেষ মজুমদার। এছাড়াও এই দায়িত্বে ছিলেন ড. লীনা জোশী। অন্যদিকে, সায়টান্টিফিক অবজারভার হিসাবে ছিলেন অধ্যাপক আনন্দ দাশগুপ্ত। এছাড়াও এই দায়িত্ব তাঁর সঙ্গে সামলেছেন নিশা কেলকার।
প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াড হল একটি বার্ষিক প্রতিযোগিতা, যা বিশ্বজুড়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে। এতে অংশগ্রহণকারীদের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক তাদের বোঝাপড়া, বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে, কয়েক মাস ধরে বিশেষ প্রশিক্ষণে ছিলেন ভারতের অংশগ্রহণকারীরা।প্রস্তুতিপর্বের অন্তর্ভুক্ত ছিল উচ্চতর পদার্থবিজ্ঞানের পাঠ, গবেষণাগারের কাজ এবং বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত অনুশীলনের সেশন। আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াড, তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য বৈজ্ঞানিক শিক্ষা ও সহযোগিতার প্রসারের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতবিনিময়, একে অপরের কাছ থেকে শেখা এবং বন্ধুত্ব গড়ে তোলার সুযোগ করে দেয়।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


