India buying carbine and torpedoes: ৪.২৫ লাখ কার্বাইন, সাবমেরিনের ৪৮ টর্পেডো- বাংলাদেশ সংঘাতের মধ্যে বড় পদক্ষেপ ভারতের
প্রায় সাড়ে চার লাখ কার্বাইন ও ৪৮ টর্পেডোর জন্য ৪,৬৬৬ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত সরকার। ভারতীয় সেনা এবং ভারতীয় নৌসেনার জন্য শুধু 'ক্লোজ কোয়ার্টার ব্যাটল কার্বাইন' কেনা হবে ৪.২৫ লাখের বেশি। সাবমেরিনের জন্য ৪৮টি ভারী টর্পেডো কেনার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে।
প্রায় সাড়ে চার লাখ কার্বাইন ও ৪৮ টর্পেডোর জন্য ৪,৬৬৬ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত সরকার। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সেনা এবং ভারতীয় নৌসেনার জন্য শুধু 'ক্লোজ কোয়ার্টার ব্যাটল কার্বাইন' কেনা হবে ৪.২৫ লাখের বেশি। সেজন্য দুটি সংস্থার সঙ্গে ২,৭৭০ কোটি টাকার চুক্তি করা হয়েছে। আর নৌসেনার কাবেরী গোত্রের সাবমেরিনের জন্য ৪৮টি ভারী টর্পেডো কেনার জন্য যে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে, সেটার মূল্য ১,৮৯৬ কোটি টাকার মতো। সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে ২০২৮ সালের এপ্রিল থেকে সেই টর্পেডো আসতে শুরু করবে। আর ২০৩০ সালের গোড়ার দিকের মধ্যেই ৪৮টি টর্পেডোই ভারতীয় নৌসেনার হাতে চলে আসবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে।

সেই জোড়া চুক্তির ফলে কী লাভ হবে?
পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেই সামরিক দিক থেকে ভারতকে নিজেদের হাত মজবুত করতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, পাকিস্তানের সঙ্গে কখন যে সরাসরি সংঘাত শুরু হয়ে যাবে, তা কেউই জানে না। তাই সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। আবার বাংলাদেশেও (ভারত-বিরোধীদের দাপট বেড়েছে) যে পরিস্থিতি, তাতে পূর্বদিকেও বাড়তি নজর রাখতে হবে ভারতকে। আর চিন তো আছেই। সেইসব বিষয়ের মাথায় রেখেই স্থলপথ এবং জলপথে সামরিক বাহিনীর হাত মজবুত করতে জোড়া চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত।
সেনা থেকে নৌসেনা- হাত মজবুত হবে ভারতের
বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্বাইনের ফলে সেনা এবং নৌসেনা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। অপারেশনের সময় হাত মজবুত হবে জওয়ানদের। তাঁরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন। আর দক্ষতার সঙ্গে হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র থাকার ফলে ভারতীয় জওয়ানদের ভয়ে শত্রুদের হাল আরও খারাপ হয়ে যাবে। আবার বঙ্গোপসাগর, আরব সাগর এবং ভারত মহাসাগরে দাপট বজায় রাখতে এখন সাবমেরিনের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। আর সাবমেরিনের জন্য টর্পেডো প্রয়োজন। ফলে জোড়া চুক্তি অত্যন্ত ভেবেচিন্তে স্বাক্ষর করা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
১.৮২ লাখ কোটি টাকার চুক্তি করে ফেলেছে ভারত
তবে শুধু একটা বিচ্ছিন্ন চুক্তি নয়, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সামরিক বাহিনীর অস্ত্রশস্ত্রের জন্য এখনও পর্যন্ত ১.৮২ লাখ কোটি টাকার বেশি চক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত সরকার।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


