India Slams New York Times: NYT-র শিরোনামে 'Pakistani Kashmir', তীব্র আপত্তি ভারতের; 'ওটা পাকিস্তিান অধিকৃত কাশ্মীর'
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, 'Clashes Erupt in Pakistani Kashmir as Voting in Local Election Begins'। সেই শিরোনামের স্ক্রিনশট সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ভারতীয় দূতাবাস প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানায়।
India Slams New York Times: মার্কিন সংবাদপত্র দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ঘিরে তীব্র আপত্তি জানাল যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। সংবাদপত্রটি পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (PoK)-এ স্থানীয় নির্বাচন শুরুকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবর প্রকাশ করতে গিয়ে শিরোনামে 'Pakistani Kashmir' শব্দবন্ধ ব্যবহার করে। এর পরেই কড়া বিবৃতি দিয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে ভারতীয় দূতাবাস জানায়, 'পাকিস্তানি কাশ্মীর' বলে কিছু নেই। এটি পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (Pakistan Occupied Kashmir)।'

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, 'Clashes Erupt in Pakistani Kashmir as Voting in Local Election Begins'। সেই শিরোনামের স্ক্রিনশট সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ভারতীয় দূতাবাস প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানায়। দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'এই শিরোনাম বিভ্রান্তিকর এবং তথ্যগতভাবে ভুল। পাকিস্তানি কাশ্মীর বলে কোনও অঞ্চল নেই, রয়েছে শুধুমাত্র পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর।'
ভারতের বক্তব্য, জম্মু ও কাশ্মীরের যে অংশ বর্তমানে পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তা আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত হলেও ভারতের দৃষ্টিতে সেটি অবৈধভাবে দখল করে রাখা ভারতীয় ভূখণ্ড। এখানেই থেমে থাকেনি ভারত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'পাকিস্তান অবৈধভাবে এই ভূখণ্ডের কিছু অংশ দখল করে রেখেছে এবং এখন সেই অধিকৃত এলাকার মানুষের বিরুদ্ধে হিংসার আশ্রয় নিচ্ছে।' এই মন্তব্যের মাধ্যমে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছে ভারতীয় দূতাবাস।
সবশেষে ভারতের দীর্ঘদিনের সরকারি অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। দূতাবাসের বিবৃতিতে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, 'জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।' প্রসঙ্গত, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক জায়গায় সংঘর্ষের খবর সামনে এসেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ এবং প্রাণহানির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। তবে ভারতের আপত্তির মূল কারণ প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু নয়, বরং সেখানে ব্যবহৃত 'Pakistani Kashmir' শব্দবন্ধ।
ভারত বরাবরই আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাবি করে এসেছে যে, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের সার্বভৌম ভূখণ্ডের অংশ এবং ১৯৪৭-৪৮ সালের সংঘাতের পর থেকে পাকিস্তান সেই অঞ্চল অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। তাই সরকারি নথি, কূটনৈতিক বিবৃতি কিংবা আন্তর্জাতিক আলোচনায় ভারত সর্বদা 'পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর' শব্দবন্ধ ব্যবহার করে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের শিরোনামকে কেন্দ্র করে ভারতীয় দূতাবাসের এই প্রকাশ্য আপত্তি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে কাশ্মীর সংক্রান্ত পরিভাষা ব্যবহারের প্রশ্নে ভারতের সংবেদনশীল অবস্থানকেই আরও একবার সামনে এনে দিল।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


