Modi Threatens Pakistan: ‘অপকর্ম’ করলেই ঘরে ঢুকে মারবে ভারত, পাকিস্তানকে হুঙ্কার মোদীর

পাকিস্তান কোনও ‘নাপাক’ (অপকর্ম) পদক্ষেপ নিলে ভারতীয় সেনা প্রয়োজন হলে সীমান্ত পেরিয়ে গিয়ে জবাব দিতে সক্ষম—এমনই বার্তা দেন মোদী। একইসঙ্গে নকশালবাদ দমনের ক্ষেত্রেও সরকারের সাফল্যের দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

Published on: Sep 5, 2026, 20:58:21 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দিল্লির ঐতিহ্যবাহী শ্রী রাম কলেজ অফ কমার্স (SRCC) এবার পা দিল শতবর্ষে। প্রতিষ্ঠানের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শনিবার বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশের অন্যতম খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতবর্ষের যাত্রার প্রশংসা করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্ম, দেশের অর্থনীতি এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের অবস্থান নিয়েও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি।

**EDS: THIRD PARTY IMAGE** In this screengrab from a video posted on Sept. 5, 2026, Prime Minister Narendra Modi addresses the centenary celebrations of Shri Ram College of Commerce (SRCC), in New Delhi. (@NarendraModi/YT via PTI Photo)(PTI09_05_2026_000360B) (@NarendraModi)
**EDS: THIRD PARTY IMAGE** In this screengrab from a video posted on Sept. 5, 2026, Prime Minister Narendra Modi addresses the centenary celebrations of Shri Ram College of Commerce (SRCC), in New Delhi. (@NarendraModi/YT via PTI Photo)(PTI09_05_2026_000360B) (@NarendraModi)

এসআরসিসির প্রাক্তনীদের সাফল্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা করে বেরিয়ে আসা মানুষজন দেশের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজেদের ছাপ রেখেছেন। শিল্পী, নেতা, আইনজীবী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশায় এসআরসিসির প্রাক্তনীদের সাফল্যের উল্লেখ করেন তিনি। তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে বক্তব্যকে আরও সহজে যুক্ত করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জেন জি’-র ভাষায় এসআরসিসির পড়ুয়ারা আসলে ‘ওজি’। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই প্রতিষ্ঠান তার নিজস্ব গুরুত্ব এবং মর্যাদা ধরে রেখেছে।

শতবর্ষের এই মাইলফলককে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১০০ বছরের যাত্রা কোনও প্রতিষ্ঠানের জন্য শুধুমাত্র সময়ের হিসাব নয়, বরং তা অর্জন, অভিজ্ঞতা এবং অনুপ্রেরণার এক বিশাল ভাণ্ডার। তাঁর কথায়, এসআরসিসি প্রজন্মের পর প্রজন্মকে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত করেছে। দরিয়াগঞ্জের একটি ছোট জায়গা থেকে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি আজ একটি বিশাল বৃক্ষে পরিণত হয়েছে, যা বহু প্রজন্মকে ছায়া দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিন নিজের ২০১৩ সালের এসআরসিসি সফরের কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, সেই সময় তিনি দেশের প্রধান বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন। অনেকেই আশা করেছিলেন, ওই মঞ্চকে ব্যবহার করে তিনি তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণ শানাবেন। কিন্তু তা না করে তিনি সে সময় একটি ইতিবাচক উন্নয়ন-ভিশন তুলে ধরেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সেই পথেই এগিয়ে চলেছেন।

২০১৩ এবং বর্তমান ভারতের তুলনা টেনে মোদী বলেন, তখন উন্নয়ন ‘মেঝেতে’ ছিল, আর মূল্যবৃদ্ধি ছিল ‘আকাশে’। তাঁর দাবি, সেই সময়ে দুর্নীতি এবং একাধিক কেলেঙ্কারি নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ ছিল। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ এবং পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও তীব্র মন্তব্য করেন তিনি।

সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে পরিস্থিতি এক রকম থাকলেও এখন ছবিটা বদলে গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যারা সন্ত্রাস ছড়াত তারা এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে। পাকিস্তান কোনও ‘নাপাক’ (অপকর্ম) পদক্ষেপ নিলে ভারতীয় সেনা প্রয়োজন হলে সীমান্ত পেরিয়ে গিয়ে জবাব দিতে সক্ষম—এমনই বার্তা দেন তিনি। একইসঙ্গে নকশালবাদ দমনের ক্ষেত্রেও সরকারের সাফল্যের দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের অর্থনীতির প্রসঙ্গেও এদিন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য রাখেন মোদী। তাঁর দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নানা বাধা সত্ত্বেও ভারতের ৭.৮ শতাংশ অর্থনৈতিক বৃদ্ধি দেশের শক্তিশালী ভিত এবং সামর্থ্যের প্রমাণ। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারত যে দ্রুত এগিয়ে চলেছে, এই বৃদ্ধির হার তারই প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সব মিলিয়ে এসআরসিসির শতবর্ষ উদ্‌যাপনের মঞ্চ থেকে শিক্ষা, যুবসমাজ, অর্থনীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তা—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী। শতবর্ষ পেরিয়ে এসআরসিসি ভবিষ্যতেও দেশের উন্নয়নে নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্ব দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More