Indian Air Force: রিলের নেশায় মৃত্যু! জলের ট্যাঙ্কে আটকে ২ কিশোর, উদ্ধারে বায়ুসেনা

Indian Air Force: একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ভারতীয় বায়ুসেনা জানিয়েছে, কিশোররা মই ব্যবহার করে ট্যাঙ্কে ওঠছিল। কিন্তু আচমকা মইটি ভেঙে যায়, যার ফলে তারা আটকা পড়ে। বায়ুসেনা জানিয়েছে, 'এই উদ্ধার অভিযান আবারও জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া ও জীবন বাঁচাতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রমাণ।'

Published on: May 3, 2026, 19:21:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Indian Air Force: রিল বানানোর নেশায় জলের ট্যাঙ্কের মাথায় চড়ে বসেছিলেন দুই কিশোর। শেষে উদ্ধার করতে ডাকতে হল ভারতীয় বায়ুসেনাকে। প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকে থাকার পর বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার তাঁদের উদ্ধার করেছে । আর এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের সিদ্ধার্থনগর জেলার কাংশীরাম আবাসন কলোনিতে।

জলের ট্যাঙ্কে আটকে ২ কিশোর, উদ্ধারে বায়ুসেনা (সৌজন্যে টুইটার)
জলের ট্যাঙ্কে আটকে ২ কিশোর, উদ্ধারে বায়ুসেনা (সৌজন্যে টুইটার)

এর আগে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে জেলা প্রশাসন রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছিল। এরপরে, কিশোরদের উদ্ধারের জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনী গোরক্ষপুরের সেন্ট্রাল এয়ার কমান্ড থেকে একটি এমআই-১৭ ভি৫ হেলিকপ্টার পাঠায়। রবিবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে হেলিকপ্টারটি জলের ট্যাঙ্কের কাছে অবতরণ করে এবং সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। ১৫ মিনিটের মধ্যেই বিমান বাহিনীর কর্মীরা ১৬ ঘণ্টা ধরে ট্যাঙ্কে আটকে থাকা দুই কিশোরকে নিরাপদে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর, কিশোরদের একই হেলিকপ্টারে করে গোরক্ষপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাদের ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। ঘটনাস্থলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এসডিএম-সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধারকাজে বিদ্যুৎ বিভাগ, পৌর প্রশাসন এবং এনডিআরএফ সদস্যরাও যোগ দেন।

একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ভারতীয় বায়ুসেনা জানিয়েছে, কিশোররা মই ব্যবহার করে ট্যাঙ্কে ওঠছিল। কিন্তু আচমকা মইটি ভেঙে যায়, যার ফলে তারা আটকা পড়ে। বায়ুসেনা জানিয়েছে, 'এই উদ্ধার অভিযান আবারও জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া ও জীবন বাঁচাতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রমাণ।' তবে মইটি ভেঙে যাওয়ার ফলে সিদ্ধার্থ, শনি এবং গোলু নামের তিন কিশোর নীচে পড়ে যায়। আর পবন ও কাল্লু নামের দুই কিশোর ট্যাঙ্কের উপরে আটকে পড়ে। নীচে পড়ে গুরুতর আঘাত পাওয়ায় সিদ্ধার্থের মৃত্যু হয়। শনি এবং গোলুকে চিকিৎসার জন্য মাধব প্রসাদ ত্রিপাঠী মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। ভাঙা মইটির কারণে বাকিদের নীচে নামার কোনও উপায় ছিল না। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) একটি দল গোরক্ষপুর থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রাথমিকভাবে এনডিআরএফ-এর যানবাহন ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বিকল্প রাস্তা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়। তবে ভোর ৩টার দিকে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় সেই কাজ ব্যাহত হয় এবং পরে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের সহায়তা নেওয়া হয়।