Indian Airforce: বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নজরদারি স্যাটেলাইটের সম্ভাবনার খবরের মাঝে ভারতীয় বায়ুসেনার চোখ GSAT-7Cএ, কী এটি?

কী এই GSAT-7C?

Published on: Oct 16, 2026, 17:33:03 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের খবরে প্রকাশিত হয়েছে যে, এবার বাংলাদেশের তারেক রহমানের সরকার, বঙ্গোপসাগরে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহে স্যাটেলাইটভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা গড়তে চায়। রিপোর্ট বলছে, ‘এই জন্য স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থার (এআইএস) উন্নত সংস্করণ ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)।’ বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার নৌযানের অবস্থান শনাক্ত করা, সমুদ্রে চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের তথ্য জানতে এই উদ্যোগ বলে খবর। জানা যাচ্ছে, বর্তমানে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। এই খবরের মাঝেই এবার শিরোনাম কাড়ছে GSAT-7C। এই GSAT-7Cর দিকে নজর রয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)র। কী এই GSAT-7C? এটি ভারতীয় বায়ুসেনাকে কীভাবে সাহায্য করবে, দেখে নিন।

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নজরদারি স্যাটেলাইটের সম্ভাবনার খবরের মাঝে ভারতীয় বায়ুসেনার চোখ GSAT-7Cএ, কী এটি?. (PTI Photo)(PTI10_08_2026_000137A) (PTI)
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নজরদারি স্যাটেলাইটের সম্ভাবনার খবরের মাঝে ভারতীয় বায়ুসেনার চোখ GSAT-7Cএ, কী এটি?. (PTI Photo)(PTI10_08_2026_000137A) (PTI)

GSAT-7C হল একটি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট। এটির কাজ মূলত, যোগাযোগ রক্ষা করা। এই স্যাটেলাইটের উদ্দেশ্য হল,ভারতীয় বিমান বাহিনীর সম্পদসমূহের মধ্যে নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ বৃদ্ধি করা। এর প্রধান ভূমিকা হল ভারতীয় বিমান বাহিনীর সফটওয়্যার ডিফাইন্ড রেডিও (এসডিআর)-এর জন্য রিয়েল-টাইম যোগাযোগ সংযোগ প্রদান করা, যা সামরিক ইউনিটগুলোকে দৃষ্টিসীমার বাইরেও যোগাযোগ করতে সক্ষম করে। উল্লেখ্য, স্যাটেলাইট-ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিশাল ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিমান এবং স্থল-ভিত্তিক ইউনিটগুলোকে সংযুক্ত করতে পারে। আর এই সমস্ত বিষয়কে নজরে রেখে, দেশে তৈরি হতে চলা GSAT-7C স্যাটেলাইটের জন্য ,বেঙ্গালুরুর নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড (এনএসআইএল)-এর সঙ্গে ২,৫৬৩ কোটি টাকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

আকাশপথে কোনও জটিল অভিযানে এই স্যাটেলাইট কার্যকরী ভূমিকা নেবে বলে আশা। স্যাটেলাইটটি, যুদ্ধবিমান, আকাশভিত্তিক আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ (AEW&C) প্ল্যাটফর্ম, মনুষ্যবিহীন আকাশযান(ইউএভি) এবং গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠতে পারে, কেন এই ধরনের স্যাটেলাইটের দিকে ঝুঁকছে বায়ুসেনা? প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে বিশ্বে যুদ্ধ পদ্ধতি,নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক অভিযানের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এই ধরনের পন্থায়, বিমান ও স্থল ইউনিটগুলো পরিস্থিতিগত সচেতনতা বাড়াতে এবং অভিযান সমন্বয় করতে তথ্য আদান-প্রদান, একটি জরুরি দিক। এই পরিস্থিতিতে এই ধরনের স্যাটেলাইট সুরক্ষিত যোগাযোগ পরিকাঠামো প্রদান করতে পারে বলে আশা করা হয়। এই ধরনের স্যাটেলাইট, বিদেশি স্যাটেলাইটের ব্যান্ডউইথের উপর নির্ভরতা কমাতেও এই ধরনের স্যাটেলাইট কার্যকরী ভূমিকা নেয়। এছাড়াও যখন প্রচলিত সংযোগের ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয় বা বা এয়ারক্রাফ্ট গুলি গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে দূরে অপারেট করে, সেই সময়ের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

স্যাটেলাইটটির দেশীয় উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক, কারণ সুরক্ষিত যোগাযোগ, সামরিক অভিযানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More