Indian Mangoes Banned in Japan: ১৯৮৬-২০০৬ বন্ধ ছিল, ফের জাপানে ভারতীয় আম রফতানির ওপর জারি করল নিষেধাজ্ঞা
Indian Mangoes Banned in Japan: প্রায় ২০ বছর পর আবারও ভারতীয় আমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সে দেশের প্রশাসন। এর ফলে ভারতের আম রফতানি শিল্পে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আলফানসো, কেসর, ল্যাংড়া এবং বাঙ্গানাপল্লি প্রজাতির আমের রফতানিতে এর প্রভাব পড়তে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
Indian Mangoes Banned in Japan: ভারত থেকে আম আমদানির ক্ষেত্রে ফের কড়া পদক্ষেপ নিল জাপান। প্রায় ২০ বছর পর আবারও ভারতীয় আমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সে দেশের প্রশাসন। এর ফলে ভারতের আম রফতানি শিল্পে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আলফানসো, কেসর, ল্যাংড়া এবং বাঙ্গানাপল্লি প্রজাতির আমের রফতানিতে এর প্রভাব পড়তে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, জাপানের খাদ্য ও কৃষি সুরক্ষা সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষ ভারতীয় আমে পোকামাকড় সংক্রান্ত কিছু সমস্যার ইঙ্গিত পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কড়া সুরক্ষা নীতি মেনে চলে জাপান। বিশেষত ফলমাছির মতো ক্ষতিকর পোকা যাতে দেশের কৃষিক্ষেত্রে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে তারা অত্যন্ত সতর্ক। সেই কারণে ভারত থেকে রফতানির আগে আমে জীবাণুমুক্তকরণ এবং ফিউমিগেশন প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসে জাপানের একটি পরিদর্শক দল ভারতের কয়েকটি ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট কেন্দ্র পরিদর্শন করে। সেই সময় জীবাণুমুক্তকরণ ও ফিউমিগেশন পদ্ধতিতে কিছু ত্রুটি ধরা পড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই জাপানের ইয়োকোহামা প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশন সিদ্ধান্ত জানায় যে, ২৫ মার্চ ২০২৬-এর পর ভারতের দেওয়া পরিদর্শন শংসাপত্রযুক্ত আম আর গ্রহণ করা হবে না।
এর আগে ১৯৮৬ সালেও ফলমাছির সংক্রমণের অভিযোগে ভারতীয় আমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল জাপান। পরে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর ২০০৬ সালে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ফের রফতানি শুরু হয়। যদিও জাপান ভারতের সবচেয়ে বড় আমের বাজার নয়, তবুও এই সিদ্ধান্ত রফতানিকারীদের কাছে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ জাপানে ভারতীয় প্রিমিয়াম আমের বিশেষ চাহিদা রয়েছে। তার উপর অতিরিক্ত গরম ও পরিবহণ খরচ বৃদ্ধির কারণে এমনিতেই রফতানিকারীরা চাপের মধ্যে ছিলেন।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


