Indian Navy on Irani Warship Attacked by USA: মার্কিন হামলায় ধ্বংস ইরানি রণতরীর সাহায্যে গিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনা
আইআরআইএস ডেনা-র নাবিকদের উদ্ধারকাজে মোতায়েন করা হয়েছিল আইএনএস তরঙ্গিনী। এছাড়াও ভারতীয় নৌসেনা একটি দূরপাল্লার প্যাট্রোল বিমানও মোতায়েন করেছিল। এরই সঙ্গে উদ্ধারকাজের জন্য আরও একটি বিমান মোতায়েন করেছিল ভারতীয় নৌসেনা।
যুদ্ধের আবহে শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে ইরানি রণতরী ধ্বংস করে আমেরিকা। সেই রণতরীকে সাহায্য করতে এগিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনা। আইআরআইএস ডেনা-র নাবিকদের উদ্ধারকাজে মোতায়েন করা হয়েছিল আইএনএস তরঙ্গিনী। এছাড়াও ভারতীয় নৌসেনা একটি দূরপাল্লার প্যাট্রোল বিমানও মোতায়েন করেছিল। এরই সঙ্গে উদ্ধারকাজের জন্য আরও একটি বিমান মোতায়েন করেছিল ভারতীয় নৌসেনা।

ভারতীয় নৌসেনার জারি করা বিবৃতি অনুযায়ী, গত ৪ মার্চ ভোরের দিকে কলম্বোতে অবস্থিত মেরিটাইম রেসকিউ কোঅর্ডিনেশন সেন্টারে বার্তা পাঠিয়ে সাহায্য চায় আইআরআইএস ডেনা। সেই সময় শ্রীলঙ্কার গল উপকূল থেকে ২০ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল ইরানি রণতরী। সেই সময় ভারতীয় নৌসেনাও এই ঘটনার বিষয়ে জানতে পারে। এবং সেই সময় ৪ মার্চ সকাল ১০টা নাগাদ ভারতীয় নৌসেনা একটি প্যাট্রোল এয়ারক্রাফ্ট মোতায়েন করে। এদিকে আকাশ থেকে জলে ব়্যাফ্ট ফেলতে সক্ষম আরও একটি বিমান মোতায়েন করা হয় ভারতের তরফ থেকে। এরই সঙ্গে কাছাকাছি থাকা আইএনএস তরঙ্গিনীকে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে সাহায্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিকেল ৪টে নাগাদ আইএনএস তরঙ্গিনী সেখানে পৌঁছায়। পরে কোচি থেকে আইএনএস ইকশককে পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে। ততক্ষণে শ্রীলঙ্কান নৌসেনা উদ্ধারকাজ শুরু করে দিয়েছিল।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন হামলায় ডুবেছে ইরানি এই রণতরী। এই ঘটনায় অন্তত ৮৭ জন ইরানি নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। উল্লেখ্য, মার্কিন হামলায় ধ্বংস হওয়া ইরানি জাহাজটি সম্প্রতি ভারতে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। ইরানের সেই যুদ্ধজাহাজ ভারতের আন্তর্জাতিক নৌমহড়া 'মিলন'-এ অংশ নিয়েছিল। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই মহড়া হয়েছিল বিশাখাপত্তনম বন্দরে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী সাইদ আব্বাস আরাগচি বলেছেন, 'ভারতীয় নৌবাহিনীর অতিথি জাহাজ ফ্রিগেট ডেনাকে বিনা সতর্কবার্তায় আন্তর্জাতিক জলসীমায় আক্রমণ করা হয়েছে। আমার বক্তব্যটি মনে রাখবেন - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে উদাহরণ স্থাপন করেছে তার জন্য তারা গভীর অনুশোচনায় ভুগবে।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper











