India's Defence Expenditure: সামরিক খরচের নিরিখে গোটা বিশ্বে পঞ্চম স্থানে ভারত, পাকিস্তান পিছিয়ে বহু ধাপ
রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক ব্যয়কারী দেশ চিন ৩৩৬ বিলিয়ন ডলার খসিয়েছে সামরিক খাতে। ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে তাদের সামরিক ব্যয় ৭.৪ শতাংশ বাড়ানো হয়। এদিকে পরিমাণের দিক দিয়ে ভারতের থেকে অনেকাট পিছিয়ে থাকলেও পাকিস্তানের সামরিক ব্যয় বেড়েছে ১১ শতাংশ।
২০২৫ সালে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম সামরিক ব্যয়কারী দেশ ছিল ভারত। এমনটাই জানানো হল স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপ্রি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে। আমেরিকা, চিন, রাশিয়া এবং জার্মানির পরে ভারতই সবতেয়ে বেশি ব্যয় করেছে সামরিক খাতে। সেখানে পাকিস্তানের খরচের পরিমাণ ভারতের থেকে অনেকটাই কম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর ভারতের সামরিক ব্যয় ছিল ৯২.১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৮.৯ শতাংশ বেশি।

এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক ব্যয়কারী দেশ চিন ৩৩৬ বিলিয়ন ডলার খসিয়েছে সামরিক খাতে। ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে তাদের সামরিক ব্যয় ৭.৪ শতাংশ বাড়ানো হয়। এদিকে পরিমাণের দিক দিয়ে ভারতের থেকে অনেকাট পিছিয়ে থাকলেও পাকিস্তানের সামরিক ব্যয় বেড়েছে ১১ শতাংশ। শতাংশের হারের নিরিখে তা ভারতের থেকে বেশি। জানা গিয়েছে, পাকিস্তান ২০২৫ সালে সামরিক খাতে ব্যয় করেছে ১১.৯ বিলিয়ন ডলার। সামরিক খাতে ব্যয়কারী দেশগুলির মধ্যে পাকিস্তান ক্রমতালিকায় ৩১তম স্থানে আছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকা একাই ২০২৫ সালে সামরিক খাতে ৯৫৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করে। তৃতীয় স্থানে থাকা রাশিয়া খরচ করেছে ১৯০ বিলিয়ন ডলার। প্রথম তিনটি দেশ- আমেরিকা, চিন, রাশিয়া মিলে মোট ১৪৮০ বিলিয়ন ডলার খরচ করে সামরিক খাতে, যা কি না গোটা বিশ্বের সামরিক খাতে ব্যয়ের ৫১ শতাংশ। এদিকে এই তালিকায় ভারতের ওপরে থাকা জার্মানির সামরিক খাতে ব্যয় ছিল ১১৪ বিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে বিশ্বের সামরিক ব্যয় ২৮৮৭ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে। এদিকে রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও ২০১৬-২০ সময়কালের তুলনায় ২০২১-২৫ সময়কালে কমেছে অস্ত্র আমদানির হার। এই সময়কালে বিদেশ থেকে ৪ শতাংশ কমেছে অস্ত্র আমদানির হার। যদিও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক আমদানিকারক দেশ এখনও সেই ভারত।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


