India's Defence Production Update: ভারতে প্রতিরক্ষা উৎপাদনে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি, বাড়ছে বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে দেশের মোট প্রতিরক্ষা উৎপাদন প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে প্রতিরক্ষা উৎপাদনের মোট মূল্য প্রায় ১.৫ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে বেসরকারি সংস্থাগুলির অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে দেশের মোট প্রতিরক্ষা উৎপাদন প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে প্রতিরক্ষা উৎপাদনের মোট মূল্য প্রায় ১.৫ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে বেসরকারি সংস্থাগুলির অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

সরকারি তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশের মোট প্রতিরক্ষা উৎপাদনের প্রায় ২৪ শতাংশই বেসরকারি শিল্প সংস্থাগুলির মাধ্যমে হচ্ছে। কয়েক বছর আগেও এই অংশ অনেক কম ছিল। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে বেসরকারি শিল্পের বাড়তি অংশগ্রহণের ফলে নতুন প্রযুক্তি, আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গত কয়েক বছরে কেন্দ্র সরকার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ কর্মসূচির আওতায় দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদনের উপর বিশেষ জোর দিয়েছে। বিদেশ থেকে সরঞ্জাম আমদানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশের মধ্যেই যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, কামান, রাডার, সাঁজোয়া যান এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ফলই এখন ধীরে ধীরে সামনে আসছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, প্রতিরক্ষা রপ্তানির ক্ষেত্রেও ভারত দ্রুত এগিয়ে চলেছে। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র, আর্টিলারি সিস্টেম, উপকূলীয় নজরদারি সরঞ্জাম এবং বিভিন্ন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির আন্তর্জাতিক চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ভারতীয় সংস্থাগুলির জন্য নতুন বাজারও তৈরি হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১৬,০০০-এরও বেশি ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শিল্প সংস্থা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে বহু স্টার্টআপও রয়েছে, যারা ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি এবং উন্নত সামরিক সরঞ্জাম তৈরির কাজ করছে। ফলে প্রতিরক্ষা শিল্পে কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ভারতের প্রতিরক্ষা খাতকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে। একই সঙ্গে দেশীয় উৎপাদন বাড়লে বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জামের জন্য বিদেশের উপর নির্ভরতা কমবে।
সামগ্রিকভাবে, প্রতিরক্ষা উৎপাদনে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলির ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা। বিশেষজ্ঞদের আশা, আগামী কয়েক বছরে এই খাত আরও দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং ভারত বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


