Iran Karaj Bridge Attacked by USA: ইরানের সবচেয়ে উঁচু ব্রিজ ধ্বংস করল আমেরিকা, নিহত ৮, পালটা 'হিটলিস্ট' তৈরি IRGC'র
করাজ সেতুতে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, 'শত্রুপক্ষ নিজেদের নৈতিকতা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেছে।' সঙ্গে তিনি আমেরিকার উদ্দেশে এও বলেন, 'এই ধরনের হামবায় ইরামবাসী আমেরিকার কাছে মাথা নত করবে না।'
ইরান তথা পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত সবচেয়ে লম্বা ব্রিজে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। সেতুটির মাঝের অংশটি ধ্বংস হয়ে গেছে। সেই হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং ৯৫ জন জখম হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের আলবোরজ প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর ঘোদরাতোল্লাহ সইফ। এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, 'শত্রুপক্ষ নিজেদের নৈতিকতা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেছে।' সঙ্গে তিনি আমেরিকার উদ্দেশে এও বলেন, 'এই ধরনের হামবায় ইরামবাসী আমেরিকার কাছে মাথা নত করবে না।'

উল্লেখ্য, করাজ সেতুটি নির্মীয়মাণ ছিল। এই সেতুটি ইরানের রাজধানী তেহরানের সঙ্গে করাজ শহরকে যুক্ত করত। তেহরান থেকে ৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থিত ছিল এই সেতুটি। এই ব্রিজটি ১৩৬ মিটার উঁচু ছিল। সেই সেতুতে হামলার ঘটনার ভিডিয়ো নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ইরানের আরও একাধিক পরিকাঠামোতে হামলা চালাবে আমেরিকা। এরই সঙ্গে ইরানকে দ্রুত 'চুক্তি' করে নেওয়ার জন্য বলেন ট্রাম্প। নিজের পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, 'ইরান যদি এখনই নিজেদের অবস্থান না বদলায়, তাহলে দেশটির মারাত্মক ক্ষতি হবে। এখনও যে দেশটি বড় শক্তি হয়ে উঠতে পারত, তার আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।'
এদিকে আমেরিকা করাজ ব্রিজে হামলা চালানোর পরে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির ৮টি ব্রিজকে নিজেদের 'হিটলিস্টে' যোগ করেছে ইরানের আইআরজিসি। আনাদোলুর এক প্রতিবেদন অনুসারে, ইরানের তালিকায় কুয়েতের শেখ জাবের আল-আহমাদ আল-সাবাহ সমুদ্র সেতু; সংযুক্ত আরব আমিরাতের শেখ জায়েদ সেতু, আল মাকতা সেতু ও শেখ খলিফা সেতু; সৌদি আরবকে বাহরাইনের সাথে সংযোগকারী কিং ফাহদ কজওয়ে; এবং জর্ডানের কিং হুসেন সেতু, দামিয়া সেতু ও আবদুন সেতু রয়েছে।
এর আগে ট্রাম্প নিজের ভাষণে ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, 'প্রয়োজনে ইরানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হবে, প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।' এই আবহে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরের অ্যারোস্পেস ফোর্সের প্রধান সইদ মাজিদ মুসাভি বলেন, 'হলিউডের কল্পনায় প্রভাবিত হয়ে নিজেদের সামান্য ২৫০ বছরের ইতিহাস নিয়ে ৬ হাজার বছরের এক সভ্যতাকে হুমকি দিচ্ছেন।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


