Iran on Trump's Claim on Meeting: মার খেতে খেতেও ইরান প্রমাণ করল - ছাগলে কী না খায়, ট্রাম্পে কী না বলে!

এর আগে এর আগে ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল যে, ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে। পরে ট্রাম্পের গলায় সেই একই সুর শোনা যায়। তবে লারিজানির এই দাবি খারিজ করলেন।

Published on: Mar 02, 2026 1:42 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ডোনাল্ড ট্রাম্প একেক সময় একেক কথা বলেন। ইরান যুদ্ধের আবহেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। ১ মার্চ ট্রাম্প একবার দাবি করেন, ইরান নাকি তাঁর সাথে কথা বলতে চাইছে, তাই তিনি আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে ইরানের ওপর হামলা জারি রাখার কথা বলেন তিনি। এরই সঙ্গে আবার তিনি বলেন, এই যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে। এই সবের মাঝে ট্রাম্পের দাবিকে উড়িয়ে দিলেন ইরানের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি।

ট্রাম্পের দাবি খারিজ করলেন ইরানের শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা
ট্রাম্পের দাবি খারিজ করলেন ইরানের শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা

উল্লেখ্য, এর আগে এর আগে ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল যে, ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে। পরে ট্রাম্পের গলায় সেই একই সুর শোনা যায়। তবে লারিজানির এই দাবি খারিজ করলেন। সঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, আমেরিকার সঙ্গে ইরান কোনও ধরনের আলোচনায় বসবে না। ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরো তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

এই আবহে আজ কুয়েতে একটি এফ১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। উল্লেখ্য, পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশ জুড়ে ইরান হামলা চালিয়েছে। বাহারিন থেকে শুরু করে দুবাই, সৌদি, কাতার, কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে আছড়ে পড়েছে ইরানি মিসাইল। এই আবহে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি হামলায় আমেরিকার তিনজন সৈনিক নিহত হয়েছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, যে তিনজন মার্কিন সেনা সদস্যের মৃত্যু ঘটেছে, তাঁরা কুয়েতে মোতায়েন ছিলেন। এদিকে সেই ঘটনায় আরও মার্কিন সেনা সদস্য জখম হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে আমেরিকার তরফ থেকে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা বি২ বোমারু বিমান দিয়ে ইরানে হামলা চালিয়েছে। ইরানের ৯টি রণতরী তারা ধ্বংস করেছে বলে জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে। এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আইআরজিসি'র সদর দফতর ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এই আবহে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কাছে এখন কোনও সদরদফতর নেই। এর আগে ১ মার্চই বিপ্লবী গার্ডের নয়া প্রধানকে নিযোগ দিয়েছিল ইরান। কারণ ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় আইআরজিসি প্রধান মারা গিয়েছিলেন। এদিকে ইজরায়েল নতুন করে তেহরানে হামলা শুরু করেছে।