Iran war Ship: ভারতের জলসীমা থেকে দেশে ফিরছিল ইরানি রণতরী! তাতেই US টর্পেডো হানা, কেন এসেছিল ইরানি জাহাজ?
ভারতের জলসীমা থেকে দেশে ফিরছিল ইরানি রণতরী, তখনই শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে কী ঘটে?
পঞ্চম দিনে পড়ল ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা, ইজরায়েলের যুদ্ধ। এখনও পর্যন্ত দুই পক্ষের আলোচনার বিষয়ে কোনও ইতিবাচক বার্তা আসেনি। এদিকে, মৃতের সংখ্যা সব মিলিয়ে হাজারের গণ্ডি! উপসাগরীয় অঞ্চলে নিদারুণ রক্তপাতের মাঝেই এই যুদ্ধে জুড়ে গেল ভারত মহাসগারের নাম। এদিন শ্রীলঙ্কার উপকূলে এক ইরানি রণতরীকে হামলার নিশানায় রাখে আমেরিকা। মার্কিন সাবমেরিন, কার্যত ওত পেতেই ছিল সমুদ্রের গভীরে। ভারতের জলসীমা ইরানি রণতরী ছাড়তেই, তাতে হামলা চলে। জানা যাচ্ছে ওই ইরানি রণতরী ভারতে এসেছিল। কিন্তু কেন?

প্রশ্ন উঠছে, ভারতে কেন এসেছিল ওই ইরানি রণতরী?
জানা যাচ্ছে, গত সপ্তাহেই ভারতে নৌসেনা মহড়ায় যোগ দিতে ইরানের রণতরী 'আইআরআইএস ডেনা' ভারতে এসেছিল। এই প্রথমবারই এই রণতীর ভারতে এসেছে এমন নয়। মজ ক্লাসের একটি ফ্রিগেট আইআরআইএস ডেনা ২০২৪ সালেও বহুপাক্ষিক নৌ মহড়া মিলানে অংশগ্রহণের জন্য ভারতে এসেছিল। ওই একই মহড়ার ২০২৬ সালের সংস্করণে যোগ দিতে গত সপ্তাহে ভারতে এসেছিল এই রণতরী। ভারতীয় জলসীমা থেকেই রণতরী দেশে ফিরছিল।আমেরিকা জানিয়েছে,'একটি আমেরিকান সাবমেরিন একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে যারা আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিরাপদ বলে মনে করেছিল। পরিবর্তে, এটি একটি টর্পেডোর আঘাতে ডুবে গেছে।' জানা গিয়েছে, এই ঘটনার জেরে অন্ততপক্ষে ৮০ জনে মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে, খবর উঠে আসে, ভারত মহাসাগরে, শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে একটি ইরানি জাহাজ ডুবতে থাকলে, তারা উদ্ধারের জন্য আর্জি জানায়। ছুটে আসে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী। তারা কয়েকজনকে উদ্ধার করে। তবে ততক্ষণে শতাধিক নিখোঁজের খবর আসছিল। পরে জানা যায় ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা ফ্রিগেট আইআরআইএস ডেনা থেকে ৩২ জন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করেছে, তবে আরও ১৪৮ জন নাবিক নিখোঁজ রয়েছে, আর কাউকে খুঁজে পাওয়ার আশা ক্ষীণ। উল্লেখ্য, মার্কিন সাবমেরিন যে জলের তলা দিয়ে ওই রণতরীকে ধ্বংস করতে উদ্যত হচ্ছিল, তা আঁচই করতে পারেনি ইরানি রণতরীটি। ফলত, এক্ষেত্রে মার্কিন সাবমেরিনের রণ-দক্ষতা আলোচনার কেন্দ্রে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper











