Iran War Update: 'ইসলামাবাদে চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিলাম…', হরমুজে মার্কিন অবরোধের মুখে বড় দাবি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর
আব্বাস আরাগচি বলেন, '৪৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ছিল এটি। যুদ্ধ শেষ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সততার সাথে কাজ করেছে ইরান। কিন্তু যখন আমরা 'ইসলামাবাদ চুক্তি'র খুব কাছাকাছি ছিলাম, তখন আমাদের কাছে বড় দাবি উপস্থাপন করা হয়েছিল। দাবি পরিবর্তন করা হয়েছিল।'
পাকিস্তানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। এই আবহে একে অপরের দিকে আঙুল তুলছে আমেরিকা এবং ইরান। এরই মাধে এবার ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দাবি করেছেন, দুই দেশের মধ্যে চুক্তি প্রায় হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু মার্কিন অবস্থানের কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এই আলোচনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল পরমাণু বোমা। সেই বিষয়টি নিয়ে একমত হতে পারেনি দুই দেশ। এদিকে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় এবার হরমুজ প্রণালী অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মাঝে আলোচনা নিয়ে বড় দাবি করলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী।

নিজের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আরাগচি বলেন, '৪৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ছিল এটি। যুদ্ধ শেষ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সততার সাথে কাজ করেছে ইরান। কিন্তু যখন আমরা 'ইসলামাবাদ চুক্তি'র খুব কাছাকাছি ছিলাম, তখন আমাদের কাছে বড় দাবি উপস্থাপন করা হয়েছিল। দাবি পরিবর্তন করা হয়েছিল।' যদিও বৈঠকে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে কথোপকথনের বিস্তারিত কোনও তথ্য দেননি আরাগচি। এদিকে বৈঠক প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, 'বৈঠকটি ভালোভাবে হয়েছে। বেশিরভাগ বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ইস্যু ছিল - পারমাণবিক শক্তি... তা নিয়ে সহমত হতে পারেনি দুই দেশ।'
ইসলামাবাদে বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পরে ভান্স বলেছিলেন, 'আমরা কোনও সমঝোতা ছাড়াই ফিরে যাচ্ছি। আমরা আমাদের ‘লক্ষ্মণরেখার’ বিষয়ে ইরানকে জানিয়েছি। কোন বিষয়ে ছাড় দেওয়া যায়, কোন বিষয়ে দেওয়া যায় না, সবটাই পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিক যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর চেষ্টা করবে না।' এদিকে সেই বৈঠক নিয়ে এক বিবৃতি জারি করে ইরান বলে, 'দেশের জনগণের স্বার্থে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমেরিকার অহেতুক দাবি মেনে নেওয়া তাই আমাদের জন্য অসম্ভব। ইরানি প্রতিনিধি দলের ইতিবাচক মনোভাব সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অপ্রয়োজনীয় সব দাবি জানানো হয়। এই কারণেই আলোচনা বাধাগ্রস্ত হয়।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


