Ayatollah Ali Khamenei's funeral:'পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য মানুষ..,' খামেনেইয়ের শেষযাত্রায় ট্রাম্পের বিনাশ চাইলেন ইরানের কবি

Ayatollah Ali Khamenei's funeral: আয়াতুল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্য ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই তেহরানের সরকারি দফতর থেকে শুরু করে নাগরিকদের বাড়ির দেওয়াল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল বিরোধী পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে৷ 

Published on: Jul 5, 2026, 13:03:11 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Ayatollah Ali Khamenei's funeral: ইরানের প্রয়াত প্রাক্তন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিনাশ কামনা করলেন কবি মহম্মদ রাসাউলি৷ স্থানীয় সময় রবিবার সকালে তেহরানে বহু মানুষের এক জমায়েতকে উদ্দেশ্য করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলেরও মৃত্যু কামনা করেছেন তিনি৷

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিনাশ চাইলেন ইরানের কবি (AP Photo/Altaf Qadri)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিনাশ চাইলেন ইরানের কবি (AP Photo/Altaf Qadri)

সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়াতুল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্য ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই তেহরানের সরকারি দফতর থেকে শুরু করে নাগরিকদের বাড়ির দেওয়াল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল বিরোধী পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে৷ সেই পোস্টারে ইরানে হামলা চালিয়ে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে হত্যা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যাতে চরম শাস্তি পায় সেই দাবি জানানো হয়েছে৷ কিন্তু কবি রাসাউলির আগে প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ট্রাম্পের বিনাশের দাবি কেউ তোলেননি৷ এদিন বহু মানুষের সামনে বক্তব্য পেশ করছিলেন রাসাউলি৷ ভাষণের শুরুর দিকে তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'আমি চাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হোক৷ ইজরায়েলের ধ্বংস হোক৷' এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্টের নাম উল্লেখ করে কবি সরাসরি বলেন, 'এই পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য মানুষটা এখনও বেঁচে আছে কেন? পৃথিবী ট্রাম্পের জন্য আর ভালো জায়গা নয়৷'

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের শুরুর দিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই ৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬। শনিবার থেকে কয়েক দিনব্যাপী তাঁর শেষকৃত্যের বিশেষ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে ইরানে। তেহরান থেকে শুরু করে বিভিন্ন শহরে হবে অনুষ্ঠান৷ শেষে খামেনেইয়ের জন্মস্থান মাসাদের একটি বিশেষ জায়গায় তাঁকে সমাধিস্থ করা হবে৷

এদিকে, ইরানের রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত একটি প্রার্থনায় অংশ নেন ৯৭ বছর বয়সি আয়াতুল্লা জাফর শোভানি৷ সেখানে প্রয়াত নেতার তিন ছেলে মাসুদ, মেইসাম ও মোস্তফার পাশাপাশি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাকের কলিবফ এবং ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রধান জেনারেল আহমাদ ভাহিদি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সেখানে ছিলেন ইসমাইল কানি৷ তিনি গার্ডের অভিযাত্রী শাখা ‘কুদস ফোর্স’-এর নেতৃত্ব দেন। এই কুদস ফোর্স রেভল্যুশনারি গার্ডের সবচেয়ে বেশি আলোচিত শাখা৷ শুধু তাই নয়, ইরানের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার ব্যাপারেও এই ফোর্স তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে৷ তবে এতকিছুর মধ্যেও আয়াতুল্লা খামেনেইয়ের আরেক পুত্র তথা ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লা মুজতবা খামেনেইকে শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি৷

কৃটনৈতিক দিক থেকে খামেনেইয়ের শেষকৃত্য হচ্ছে এক অতি-গুরুত্বপূর্ণ সময়ে৷ ৪ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা দিবস৷ মার্কিন মুলুকের একাধিক অনুষ্ঠান থেকে খামেনেইয়ের শেষকৃত্য নিয়ে বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প৷ খামেনেইয়ের মৃত্যুতে যাদের চোখের জল পড়ছে তাদের এক মুহূর্তে শেষ করে ফেলতে পারেন বলে দাবি ট্রাম্পের৷ এবার সেই শেষকৃত্য থেকেই ট্রাম্পের বিনাশ কামনা করে শিরোনামে এলেন কবি মহম্মদ রাসাউলি৷ 'গ্র্যান্ড মোসাল্লা'-য় খামেনেইর দেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা রয়েছে। চোখের জলে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ৷