Trump on Riyadh US Embassy Attack: 'কীভাবে জবাব দিতে হয়, দেখাব', সৌদিতে US দূতাবাসে হামলার পরই হুংকার ট্রাম্পের
সৌদি আরবের রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। সেই ঘটনায় প্রত্যাঘাতের হুংকার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপোর্ট অনুযায়ী, কুয়েত এবং সৌদিতে মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প নাকি দাবি করেছেন যে ‘খুব শীঘ্রই’ পালটা হামলা চালানো হবে।
সৌদি আরবের রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা চালানো হল। সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দুটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে মার্কিন দূতাবাসে। তার জেরে অল্পবিস্তর আগুন ধরে যায়। সামান্য ক্ষতি হয়েছে ভবনের। কোনও হতাহতেরও খবর মেলেনি। কিন্তু সেই ঘটনায় প্রত্যাঘাতের হুংকার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপোর্ট অনুযায়ী, কুয়েত এবং সৌদিতে মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প নাকি দাবি করেছেন যে ‘খুব শীঘ্রই’ পালটা হামলা চালানো হবে। কীভাবে জবাব দিতে হবে, তা শীঘ্রই জানতে পারবেন বলে হুংকার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তেহরানে ইজরায়েলের হামলা। (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স)
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১) হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।
২) আমেরিকানদের অবিলম্বে মধ্যপ্রাচ্যের ১৫টি দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিল মার্কিন প্রশাসন। যে তালিকায় আছে বাহারিন, ইজিপ্ট. ইরান, ইরাক, জর্ডন, কয়েত, কাতার, সৌদি আরবের মতো দেশ।
৩) দুবাই থেকে আংশিকভাবে শুরু হয়েছে বিমান পরিষেবা। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার রাতের দিকে আবুধাবি থেকে বিমান অবতরণ করেছে নয়াদিল্লিতে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালী?
হরমুজ প্রণালী হল বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলির মধ্যে একটি। এটি ওমান এবং ইরানের মধ্যবর্তী একটি সংকীর্ণ জলপথ, যা পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ এই পথ দিয়েই চলাচল করে। সৌদি আরব, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কুয়েতের মতো বড় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলি নিজেদের পণ্য রফতানি জন্য এই পথের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল।
ভারতের উপরে হরমুজ প্রণালী বন্ধের বিরূপ প্রভাব
ভারত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৮০ শতাংশেরও বেশি আমদানি করে। এর একটি বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি থেকে, যা হরমুজ প্রণালী হয়ে ভারতের বন্দরে পৌঁছায়। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় ভারতের উপরে কী কী প্রভাব পড়তে পারে, তা দেখে নিন -
১) তেলের দাম বৃদ্ধি: হরমজ প্রণালী বন্ধ হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হতে পারে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে ভারতের পেট্রোল এবং ডিজেলের দামে।
২) মুদ্রাস্ফীতি: পরিবহণ খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়বে, যা সাধারণ মানুষের পকেটে টান ফেলবে।
৩) বাণিজ্যিক ক্ষতি: ভারতের অনেক রফতানি পণ্যও এই পথ দিয়ে যায়। তার ফলে ভারতীয় বাণিজ্য ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
৪) শেয়ার বাজারের ধস: অনিশ্চয়তার কারণে ভারতীয় স্টক মার্কেটে বড়সড় ধস নামার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
News/News/Trump On Riyadh US Embassy Attack: 'কীভাবে জবাব দিতে হয়, দেখাব', সৌদিতে US দূতাবাসে হামলার পরই হুংকার ট্রাম্পের