Irish Pacer Jai Moondra: ভারতের ব্যাটিংয়ে ধস নামানো জয় মুন্দ্রা আইটি সেক্টরে চাকরির খোঁজে লিঙ্কডইনে

সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেন ২৯ বছর বয়সি জয় মুন্দ্রা। মাত্র দুই ম্যাচে পাঁচটি উইকেট নিয়ে তিনি যৌথভাবে সিরিজের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন। তাঁর ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে নির্বাচিত হন ‘প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ’।

Published on: Jun 29, 2026, 08:32:56 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে সিরিজসেরা হয়েছেন আয়ারল্যান্ডের পেসার জয় মুন্দ্রা। কিন্তু মাঠে সাফল্যের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এক অন্য বাস্তবতা এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ভারতীয় ব্যাটারদের কাঁপিয়ে দেওয়া এই পেসারই বর্তমানে লিঙ্কডইনে আইটি সেক্টরে চাকরির সন্ধান করছেন।

সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেন ২৯ বছর বয়সি জয় মুন্দ্রা। (Liam McBurney/PA via AP)
সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেন ২৯ বছর বয়সি জয় মুন্দ্রা। (Liam McBurney/PA via AP)

সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেন ২৯ বছর বয়সি জয় মুন্দ্রা। মাত্র দুই ম্যাচে পাঁচটি উইকেট নিয়ে তিনি যৌথভাবে সিরিজের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন। তাঁর ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে নির্বাচিত হন ‘প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ’। বিশেষ করে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে তাঁর বোলিং ছিল ভারতের জন্য দুঃস্বপ্ন। ইনিংসের শুরুতেই তিনি সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মাকে গোল্ডেন ডাকের শিকার করেন। এরপর নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারকেও মাত্র ১০ রানে ফিরিয়ে দিয়ে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধাক্কা দেন। তাঁর নিখুঁত লাইন-লেন্থ ও সুইংয়ের সামনে ভারতীয় ব্যাটারদের অসহায় দেখায়।

তবে ক্রিকেট মাঠের এই নায়ক জীবনের আরেকটি লড়াইও চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজস্থানে জন্ম নেওয়া জয় মুন্দ্রা ২০২১ সালে ইলেকট্রনিক্স ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের জন্য আয়ারল্যান্ডে পাড়ি দেন। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি বহুজাতিক প্রযুক্তি সংস্থা ইন্টেলে প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন।

তবে তাঁর লিঙ্কডইন প্রোফাইল অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইন্টেলের চাকরি ছাড়েন তিনি। এরপর থেকে নতুন কোনো প্রতিষ্ঠানে যোগ দেননি। বর্তমানে তাঁর প্রোফাইলে ‘#OpenToWork’ ব্যাজ যুক্ত রয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তিনি আয়ারল্যান্ড ও ইউরোপে পূর্ণকালীন প্রকৌশল-সংক্রান্ত চাকরির সন্ধান করছেন। প্রায় ছয় মাস আগে একাধিক প্রযুক্তিভিত্তিক পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন জয় মুন্দ্রা। আবার এক মাস আগে আরেকটি পোস্টে তিনি নিজেকে ‘২০২৫ সালের প্রাক্তন ইন্টেল কর্মী’ উল্লেখ করে নতুন চাকরির খোঁজে থাকার কথাও জানিয়েছিলেন।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, চাকরির সন্ধানে থাকা এই ক্রিকেটারই কয়েক মাসের ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া ভারতীয় দলকে নাস্তানাবুদ করেছেন। বর্তমানে তিনি আয়ারল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেললেও তাঁর কাছে এখনও ভারতীয় পাসপোর্ট রয়েছে। ক্রিকেট ও পেশাজীবনের এই দ্বৈত সংগ্রাম জয় মুন্দ্রাকে অনন্য এক উদাহরণে পরিণত করেছে। মাঠে তিনি প্রতিপক্ষের ব্যাটিং ক্রমে ধস নামাচ্ছেন, আর মাঠের বাইরে নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে খুঁজছেন নতুন কর্মজীবনের সুযোগ।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More