Asim Munir latest: আসিম মুনিরই কি পাকিস্তানের ‘বেতাজ বাদশা’, আড়ালে কি তিনিই চালাচ্ছেন দেশ? শরিফের মন্ত্রী বললেন…
মুখ খুললেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তান নাস্তানাবুদ হওয়ার পর থেকে সেদেশের সেনা প্রধানের ক্রমাগত পদোন্নতি করে গিয়েছে ইসলামাবাদ। সদ্য পাকিস্তানের ‘চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস’ হয়ে উঠেছেন আসিম মুনির। অনেকেই বলছেন, তিনিই পাকিস্তানের সর্বেসর্বা। সত্যিই কি তাই? পাকিস্তানে শেহবাজ শরিফের সরকার থাকা সত্ত্বেও কি আসিম মুনিরই সেদেশের ‘বেতাজ বাদশা’? উত্তর দিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ সদ্য ‘ফ্রান্স ২৪’কে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তাঁর কাছে প্রশ্ন ছিল, বকলমে কি পাকিস্তান চালাচ্ছেন সেদেশের সেনাপ্রধান আসিম মুনির? উত্তরে খোয়াজার কৌশলী বার্তা,' পাকিস্তানে ১৯৫০-৬০-এর দশকে (সামরিক) প্রতিষ্ঠান সরকার নিয়ন্ত্রণের ইতিহাস রয়েছে। এমন সময় ছিল যখন প্রতিষ্ঠান হস্তক্ষেপ করেছিল এবং ক্ষমতার রাশ দখল করেছিল। এখন তা ঘটছে না।' তিনি বলছেন, 'এটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলির একটি সহযোগিতা।' বিষয়টিকে আরও খোলসা করতে গিয়ে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন,'পাকিস্তান সেনাবাহিনী বা সশস্ত্র বাহিনী হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। তারা নির্বাচিত সরকারকে সাহায্য করছে। আমি এটাকে একটি হাইব্রিড সরকার বলি। পাকিস্তানে একেবারেই কোন সামরিক শাসন নেই। তিনি আমার বস নন।' তাঁর সাফ কথা, ‘হাইব্রিড সরকার’ নিয়ে চলছে পাকিস্তান!
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ গত বছর ২৭তম সংশোধনী পাস করে, যা সেনাপ্রধানকে ব্যাপক ক্ষমতা প্রদান করে।ফলত, বিভিন্ন দিক থেকে পাকিস্তানে এখন কার্যত ‘সর্বেসর্বা’ হলেন আসিম মুনির। মুনিরকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে উন্নীত করা হয়েছিল - এমন একটি পদ যা সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করবে। বিলটি পাকিস্তানের সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সেদেশে আসে, যেখানে বলা হয়েছে যে ‘সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ এবং কমান্ড ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে’এবং ‘সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ড রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকবে।’ পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই সামরিক বাহিনী পরিচালিত উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলি নিয়ন্ত্রণ করছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


