CJP Founder Abhijeet Dipke: বিদেশে পড়াশোনা-CJPকে কোটি টাকার ফান্ডিং! দীপকের বাবার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি RTI কর্মীর
CJP Founder Abhijeet Dipke: সুরাটের আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি প্রথমে সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবানরাও দীপকের আর্থিক অবস্থা খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন।
CJP Founder Abhijeet Dipke: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আন্দোলনে অংশ নিয়ে যাঁরা আইনি জটিলতায় পড়েছেন, তাঁদের সাহায্য করতে তহবিল গড়ার ঘোষণা করেছে 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)। সেই তহবিলে এক কোটি টাকা দান করার কথা বলেছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল। এই বিষয়টিতে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় জিএসটি বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তদন্তের দাবি জানালেন গুজরাটের এক তথ্যের অধিকার (আরটিআই) কর্মী।

সুরাটের আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি প্রথমে সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবানরাও দীপকের আর্থিক অবস্থা খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ভগবানরাও দীপকে মহারাষ্ট্র সরকারের একজন প্রাক্তন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। অমিত তিওয়ারি প্রশ্ন তুলেছেন, একজন সাধারণ সরকারি কর্মচারীর বেতনের টাকায় কীভাবে তাঁর ছেলেকে বিদেশে বিপুল খরচে উচ্চশিক্ষা নিতে পাঠানো সম্ভব হল। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক অভিজিৎ দীপকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতৃত্বে বিক্ষোভ শুরু করার জন্য ৬ জুন ভারতে ফিরে আসেন। আরটিআই কর্মী প্রশ্ন তুলেছেন, সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকের বিদেশে পড়াশোনা খরচের উৎস নিয়েও। তাঁর প্রশ্ন, মহারাষ্ট্র সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী হয়েও কী ভাবে ছেলে দীপকের বিদেশে পড়াশোনার খরচ জোগান দেন তাঁর বাবা? এই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা উচিত বলে দাবি অমিতের।
তিনি বলেন, 'আমি মহারাষ্ট্র সরকারের কাছেও অভিযোগ জানিয়েছি যে ভগবানরাও দীপকে এমআইডিসি-তে একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। সুতরাং, যদি তিনি ৬০,০০০-৬৫,০০০ টাকা বেতন পেতেন, তাহলে কীভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর সন্তানদের পড়াশোনার খরচ বহন করতেন?' অমিত তিওয়ারি প্রশ্ন তুলেছেন, একজন সাধারণ সরকারি কর্মচারীর বেতনের টাকায় কীভাবে তাঁর ছেলেকে বিদেশে বিপুল খরচে উচ্চশিক্ষা নিতে পাঠানো সম্ভব হল। অভিযোগে বলা হয়েছে, অবৈধ সম্পত্তি বা অবৈধ অর্থায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা উচিত।
সিজেপি-র আইনি সহায়তার তহবিল নিয়েও প্রশ্ন
এর পাশাপাশি, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি হওয়া একটি বিশেষ তহবিল নিয়েও অমিত তিওয়ারি প্রশ্ন তুলেছেন। আন্দোলনের বিক্ষোভকারীদের আইনি সহায়তার জন্য বর্ষীয়ান আইনজীবী ও রাজ্যসভার সংসদ সদস্য কপিল সিব্বল সম্প্রতি ১ কোটি টাকার তহবিল দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। তিওয়ারির মতে, সিজেপি কোনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়। তা সত্ত্বেও তারা একটি রাজনৈতিক দলের নামে নিজেদের কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং অর্থ লেনদেন করছে। তাই তিনি জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৯এ ধারা মেনে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছেন। তাছাড়াও, কপিল সিব্বলের অনুদান দেওয়া এই ১ কোটি টাকার ওপর ১৮ শতাংশ জিএসটি প্রযোজ্য হবে কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখার জন্য তিনি কেন্দ্রীয় অপ্রত্যক্ষ কর ও শুল্ক পর্ষদকে (সিবিআইসি) চিঠি পাঠিয়েছেন। নিবন্ধিত না হয়ে রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে তহবিল সংগ্রহ কিংবা অনুদান গ্রহণ আইনসম্মত কি না, সে বিষয়ে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, নিট দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের সময় দিল্লি পুলিশের হাতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী গ্রেফতার হন। তাঁদের আইনি লড়াইয়ে সাহায্য করতেই চলতি সপ্তাহের শুরুতেই সিজেপি-র গঠিত 'লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড'-এ ১ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন কপিল সিব্বল।
E-Paper

