China on Iran weapon: সত্যিই কি চিনা অস্ত্রে US, ইজরায়েল দমনে এগোয় ইরান? তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে বেজিং কী বলল?

ইরানের মিসাইল প্রসঙ্গে উঠে আসে রিপোর্ট নিয়ে মুখ খুলল বেজিং।

Published on: Mar 02, 2026 8:28 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইরানের তরফে একের পর এক মিসাইল আছড়ে পড়েছে আশপাশের সৌদি আরব, আমিরশাহি, সহ বহু প্রতিবেশী দেশে. এছাড়াও মিসাইল আছড়ে পড়েছে মূল প্রতিপক্ষ ইজরায়েলে। তারা টার্গেট চালিয়েছে মার্কিন রণতরীতেও। এরই মাঝে একাধিক রিপোর্ট দাবি করেছে যে, ইরান সম্ভবত চিনের তৈরি অস্ত্রকে ব্যবহার করছে ইজরায়েল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে। এমন রিপোর্টের দাবি শুনে চটে লাল চিন! বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে তারা।

সত্যিই কি চিনা অস্ত্রে মার্কিন, ইজরায়েল দমনে এগোয় ইরান? চটে লাল বেজিং বলছে… TPX IMAGES OF THE DAY (REUTERS)
সত্যিই কি চিনা অস্ত্রে মার্কিন, ইজরায়েল দমনে এগোয় ইরান? চটে লাল বেজিং বলছে… TPX IMAGES OF THE DAY (REUTERS)

বেজিংয়ের তরফে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, যদি চিন থেকে মিসাইল সরবরাহ করা হয়, তাহলে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে চিন কর্তৃক ইরানে স্থানান্তরিত সবচেয়ে উন্নত সামরিক সরঞ্জামগুলির মধ্যে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি হবে। এমন সমস্ত অভিযোগ নিয়ে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেছে বেজিং! মাও নিং বলেন, 'একটি দায়িত্বশীল প্রধান দেশ হিসেবে, চিন সর্বদা তার আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলে। চিন অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংযোগ এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার বিরোধিতা করে এবং আশা করে যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলি উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি কমাতে সহায়ক পদক্ষেপ নেবে।'

এদিকে, রিপোর্ট বলছে, ইরান, চিনের অন্যতম বৃহত্তম তেল সরবরাহকারী। এদিকে,ইরানের সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার নিন্দার বাইরে গিয়ে তেহরানের সঙ্গে বেজিং, নতুন নেতৃত্বের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক অব্যাহত রাখবে কিনা তা নিয়েই আলোচনা চলছে। বেইজিংয়ের সাথে তেহরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিবেচনা করেও এই সিদ্ধান্ত তাদের নিতে হবে।

এপর্যস্ত, ভেনেজুয়েলা হোক বা ইরান, আমেরিকার হানা নিয়ে সেভাবে আগ্রাসী কোনও মন্তব্য চিনকে করতে শোনা যায়নি। প্রসঙ্গত, ৩১ মার্চ চিনে পা রাখার কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের।

সার্বভৌম দেশের নেতাদের হত্যার মতো একতরফা পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিরত রাখতে চিন কীভাবে ভূমিকা পালন করতে পারে, সে সম্পর্কে একজন ইরানি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মাও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ বা অন্যান্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে চিনের দৃঢ় বিরোধিতা রয়েছে।