Vijay and Tamil Nadu poll 2026: বিজয় কি তামিলনাড়ুর CM হচ্ছেন? মনে করাচ্ছেন MGRকে? আজ বান্ধবী তৃষার জন্মদিনে..
Tamil Nadu poll Result 2026: তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসা ফিল্ম দুনিয়ার প্রতিনিধি তথা সুপারস্টার হিসাবে প্রথম লাইমলাইট কাড়েন এমজিআর। তখন এমজিআর ১৯৭৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল বিজয় লাভ করেন এবং ১৯৮৭ সালে তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এক দশক ধরে তামিলনাড়ু শাসন করেন।
Vijay Trisha and Tamilnadu Politics: বাংলার রাজনীতিতে যখন ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন ফের এক পরিবর্তন নিয়ে এল, তখন সুদূর দক্ষিণে তামিলনাড়ুতেও বিধানসভা ভোটের ফলাফলে এল এক নয়া ট্রেন্ড। ভোটের যে ট্রেন্ড রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়। দক্ষিণের তাবড় সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের নবগঠিত পার্টি টিভিকে ( তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম) এই মুহূর্তে বুথ ফেরত সমীক্ষাকে কার্যত সত্যি করে তামিলনাড়ুতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে হাঁটছে। ২০২৪ সালে জন্ম পার্টির। আর ২ বছরেই ভোটের ময়দানে ‘অভিষেক’ হয় বিজয়ের পার্টির। আর প্রথম ভোট-ম্যাচেই দাপুটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে থালাপতি বিজয়ের পার্টি। বিজয়ের এই ‘বিজয়’ কেন বারবার তামিলনাড়ুরই পূর্বতন সুপারস্টার তথা মুখ্যমন্ত্রী এমজিআরকে মনে করিয়ে দিচ্ছে? তার জন্য একটু ইতিহাসের দিকে চোখ রাখা যাক।

তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসা ফিল্ম দুনিয়ার প্রতিনিধি তথা সুপারস্টার হিসাবে প্রথম লাইমলাইট কাড়েন এমজিআর। তখন এমজিআর ১৯৭৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল বিজয় লাভ করেন এবং ১৯৮৭ সালে তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এক দশক ধরে তামিলনাড়ু শাসন করেন। সেই এমজিআরের দল এআইএডিএমকে যদিও ২০২৬ সালের ভোটে বড়সড় ভরাডুবির মধ্যে রয়েছে, তবে তামিল রাজনীতিতে নতুন মুখ ‘জননায়গন’ (জননায়ক) বিজয়ের উত্থান যেন বারবার এমজিআরের সেই রাজনৈতিক উত্থান পর্বকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। বিজয়ের টিভিকে পার্টি ইতিমধ্যেই শতাধিক আসন দখল করে ফেলেছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি এবার এমজিআর-র মতো বিজয়েও ফিল্ম দুনিয়ার আরও এক সুপারস্টার হিসাবে তামিলভূমে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি দখল করবেন? উত্তর রয়েছে সময়ের কাছে!
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে কান পাতলেই শোনা যায়, একটা সময় এমজিআরকে স্থানীয় ভাষায়,'পুরাতচি নাদিগার' (বিদ্রোহী অভিনেতা) বলা হত। আর বিজয় পেয়েছেন ‘থালাপতি’র তকমা। এমজিআর, তামিলনাড়ুতে ডিএমকের সঙ্গ ছেড়ে নিজের পার্টি এআইএডিএমকে গড়েছিলেন, এবং সেই পার্টির হয়ে ঘাম ঝরিয়ে তাঁর কাঙ্খিত জয় পেয়েছিলেন। সেই সময় থেকেই এমজিআরের সঙ্গে পার্টির কাজে দেখা যেত তামিলনাড়ুতে এআইএডিএমকের পরবর্তী মুখ তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতাকে। এদিকে, বিজয় কার্যত তামিলভূমকে কেন্দ্র করে এমজিআরের মতোই আঞ্চলিক দল গঠন করেন। দল গঠিত হয় ২০২৪ সালে। বিজয়ের বিপুল জনপ্রিয়তায় ভর করেই যে দল এগিয়েছে তা নয়। বেশ কিছু পর পর ধাপ বিজয়ের পার্টিকে এই তামিলভূমে জমি পোক্ত করতে সাহায্য করেছে বলে বিশ্লেষকদের মত। ২০২৪ সালে বিজয়ের টিভিকে পার্টি তৈরির পরই পার্টি তৈরি করে ফ্যানক্লাব, বেশ কিছু সমাজকল্যাণের কাজে বিজয়ের পার্টি এগিয়ে আসে। রক্তদান শিবির থেকে ত্রাণ সবেতেই বিজয়ের পার্টি নজর কাড়তে থাকে। সঙ্গে বিজয়ের নিজের ব্যক্তিত্বগত ‘ক্যারিশ্মা’ ও জনসংযোগ তাঁর পার্টিকে তামিলভূমে জনপ্রিয় করতে থাকে। পার্টি শুরুর বহু আগে বিজয়ের সমাজ কল্যাণ মূলক সংস্থা ‘মক্কাল ইয়াঙ্গাম’, তাঁর ভক্তকূলের ওপর যেমন প্রভাব ফেলে, তেমনই জনমানসেও তার প্রভাব বিস্তার হয়। এরপর এমজিআরের মতোই নানান বিতর্কিতে উঠে আসে বিজয়ের নাম। আতস কাঁচের নিচে পড়ে বিজয়ের সঙ্গে তৃষার সম্পর্ক, এই নিয়ে শুরু হয় নানান বিতর্ক।
তৃষা-বিজয়:-
আজ অভিনেত্রী তৃষার জন্মদিন। তাঁর সঙ্গে বিবাহিত বিজয়ের সম্পর্ক ঘিরে নানান বিতর্ক, প্রশ্ন ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুর রাজনীতি থেকে ফিল্ম দুনিয়ায় ঘোরাফের করছে। বিজয়ের ডিভোর্সের সম্ভাবনাও চর্চায়।
এদিকে, তৃষার ৪৩ তম জন্মদিনের দিনই আজ প্রকাশ্যে এল তামিলনাড়ুর ভোটের ফলাফলে বিজয়ের তুমুল 'বিজয়ে'র পরিসংখ্যান! এদিন সকালেই তৃষা পৌঁছন তিরুপতি মন্দিরে, ফ্যানকূলের দাবি, শুধু নিজের জন্মদিনই নয়, হয়তো বিজয়ের সাফল্য কামনাও এদিন তৃষার প্রার্থনায় ছিল!
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


