Jharkhand road accident: মধ্যরাতে ট্রাকে তীব্র গতিতে ধাক্কা! জামশেদপুরে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত মন্ত্রীর কন্যা-সহ চার
Jharkhand road accident: মন্ত্রীর কন্যা-সহ চারজনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গাঙ্গওয়ার এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন।
Jharkhand road accident: জামশেদপুরে পথ দুর্ঘটনায় নিহত ঝাড়খণ্ডের গ্রামীণ উন্নয়ন ও পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে সিং-এর কন্যা-সহ চারজন। বৃহস্পতিবার একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ধাক্কা মারলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, ভোররাতে ৩টে নাগাদ সোনারি থানা এলাকার মেরিন ড্রাইভ রোডে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

মন্ত্রীর কন্যা-সহ চারজনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গাঙ্গওয়ার এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে ঝাড়খণ্ড মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'জামশেদপুরের জাতীয় সড়কে পথ দুর্ঘটনায় সহকর্মী মন্ত্রী ও বোন দীপিকা পাণ্ডে সিং-এর মেয়ে এবং অন্যান্যদের মৃত্যুর অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও হৃদয়বিদারক খবরটি আমাকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে।' তিনি আরও বলেন, 'সন্তান হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না এবং যে কোনও বাবা-মা ও পরিবারের জন্য তা অসহনীয়। এই অত্যন্ত কঠিন সময়ে বোন দীপিকা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল। এই অপূরণীয় ক্ষতির জন্য কোনও ভাষাই যথেষ্ট নয়। মারং বুরু যেন প্রয়াতদের আত্মার শান্তি বিধান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই অপরিসীম শোক সহ্য করার শক্তি দেন।'
অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে রাজ্যপাল গাঙ্গওয়ার বলেন, 'জামশেদপুরের জাতীয় সড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝাড়খণ্ড সরকারের গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে সিং-এর মেয়ের অকাল প্রয়াণের খবর অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও মর্মস্পর্শী।' তিনি আরও বলেন, সন্তানের হারানোর শোক একজন মায়ের ক্ষেত্রে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন বলেছেন, তৃষা সিংয়ের অকাল প্রয়াণ অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এদিকে সোনারি থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি সঞ্জয় সুমন বলেছেন, 'গ্রামীণ উন্নয়ন ও পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে সিং-এর মেয়ে তৃষা সিং-সহ অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাকি তিনজন হলেন, সার্থক আগরওয়াল, নমণ গুপ্তা এবং বংশিকা খান্ডেলওয়াল।' প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, চার লেনের মহাসড়কের ডানদিকে ডিভাইডারের কাছে ট্রাকটি দাঁড়িয়ে ছিল। এর পেছনে গাছের একটি ছোট ডাল রাখা ছিল। যার মাধ্যমে ইঙ্গিতে বোধান হচ্ছিল যে, যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ট্রাকটি অচল হয়ে পড়েছিল, সরানো সম্ভব হয়নি। তবে রাস্তায় কোনও রিফ্লেক্টর বা সতর্কীকরণ চিহ্ন দেখা যায়নি। ট্রাকটির পেছনে গাড়িটিকে দুমড়েমুচড়ে যাওয়া অবস্থায় দেখা যায়।
E-Paper

