Jio IPO Latest Update: অক্টোবরেই কি আসছে জিওর IPO, ২১-২৩ তারিখে খুলতে পারে বাজারের বহু প্রতীক্ষিত ইস্যু
সাম্প্রতিক খবর বলছে, অক্টোবরের শেষ দিকে জিও প্ল্যাটফর্মসের শেয়ার বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি প্রায় শেষ। বাজারের পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে ২১ থেকে ২৩ অক্টোবরের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিও খুলতে পারে সংস্থাটি। তার আগে ১৯ অক্টোবর অ্যাঙ্কর বিনিয়োগকারীদের জন্য দরজা খোলার সম্ভাবনা রয়েছে।
দীর্ঘ অপেক্ষার পরে কি অবশেষে বাজারে আসতে চলেছে রিলায়েন্স জিওর বহু প্রতীক্ষিত আইপিও? সাম্প্রতিক খবর বলছে, অক্টোবরের শেষ দিকে জিও প্ল্যাটফর্মসের শেয়ার বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি প্রায় শেষ। বাজারের পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে ২১ থেকে ২৩ অক্টোবরের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিও খুলতে পারে সংস্থাটি। তার আগে ১৯ অক্টোবর অ্যাঙ্কর বিনিয়োগকারীদের জন্য দরজা খোলার সম্ভাবনা রয়েছে। বিএসই এবং এনএসইতে জিওর শেয়ার ২৮ অক্টোবর তালিকাভুক্ত হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। তবে এখনও পর্যন্ত জিওর তরফে কোনও চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

জিওর আইপিও ঘিরে আগ্রহের অন্যতম কারণ হল সংস্থার আকার। এটি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজিটাল ও টেলিকম ব্যবসার মূল সংস্থা জিও প্ল্যাটফর্মসের বাজারে প্রবেশ। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারী থেকে শুরু করে বড় বিদেশি বিনিয়োগকারী, সকলের নজর রয়েছে এই ইস্যুর দিকে। সাম্প্রতিক আলোচনায় বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে জিও কর্তৃপক্ষের বৈঠকও উঠে এসেছে। সেই বৈঠক থেকে সংস্থাটি ভাল সাড়া পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। পাশাপাশি দেশীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের তরফেও ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে।
তবে পুরো বিষয়টাই নির্ভর করছে বাজারের অবস্থার উপর। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা কিংবা দেশীয় শেয়ার বাজারে বড় ধরনের ওঠানামা হলে আইপিওর সময়সূচি বদলে যেতে পারে। তাই ২১ থেকে ২৩ অক্টোবরের যে সম্ভাব্য সময়সীমা সামনে এসেছে, সেটিকে এখনও নিশ্চিত তারিখ হিসাবে দেখছে না বাজার। সংস্থার প্রস্তুতি এগিয়ে থাকলেও শেষ সিদ্ধান্ত বাজারের পরিস্থিতি বুঝেই নেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর।
জিওর আইপিওর কাঠামো নিয়েও ইতিমধ্যে বেশ কিছু তথ্য সামনে এসেছে। প্রস্তাবিত ইস্যুটি মূলত নতুন শেয়ার বা ফ্রেশ ইস্যুর মাধ্যমে বাজারে আসবে। আইপিও থেকে পাওয়া অর্থের বড় অংশ ব্যবহার করা হতে পারে জিওর ঋণ কমাতে। সংস্থার নথি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু বকেয়া ঋণ পুরোটা বা আংশিক ভাবে মেটানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাকি অর্থ ব্যবহার করা হবে সাধারণ কর্পোরেট কাজে।
আগ্রহের আর একটি বড় জায়গা হল বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ। প্রস্তাবিত কাঠামোয় রিটেল এবং হাই নেটওয়ার্থ ইনভেস্টরদের জন্য ইস্যুর প্রায় অর্ধেক অংশ রাখা হতে পারে। বাকি অংশ থাকবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য। ফলে এত দিন ধরে জিওর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত সাধারণ মানুষও প্রথম বার সরাসরি সংস্থার শেয়ার কেনার সুযোগ পেতে পারেন।
আইপিওর আগে বিদেশে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগও জোরদার করেছে জিও। আমেরিকা, ব্রিটেন, দুবাই, সিঙ্গাপুর এবং হংকংয়ের মতো বাজারে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে রোডশো করার খবর আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বোঝা এবং বাজারে জিওর মূল্যায়ন নিয়ে ধারণা তৈরি করা।
এ দিকে গ্রে মার্কেটেও এখনও জিও আইপিও নিয়ে উল্লেখযোগ্য লেনদেন শুরু হয়নি। প্রাইস ব্যান্ড ঘোষণা হওয়ার পরই সেখানে প্রকৃত চিত্র পাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ এখনই জিওর শেয়ারের সম্ভাব্য বাজারদর নিয়ে নিশ্চিত ধারণা করার মতো তথ্য নেই।
সব মিলিয়ে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ এখন জিওকে ঘিরে শেয়ার বাজারের ক্যালেন্ডারে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। প্রস্তুতি এগোলেও চূড়ান্ত সময়সূচি এখনও ঘোষণা হয়নি। আগামী কয়েক সপ্তাহে বাজারের অবস্থা এবং আইপিও সংক্রান্ত পরবর্তী নথি প্রকাশের উপরই নির্ভর করবে, দেশের অন্যতম বহুল আলোচিত এই ইস্যু ঠিক কবে বাজারে আসে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অবশ্যই আইপিওর চূড়ান্ত নথি, মূল্যসীমা এবং ঝুঁকি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


