Bangladesh on Seven Sisters: এবার 'বাবরের পথ' ধরে সেভেন সিস্টার্সকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করার ডাক বাংলাদেশে
'বাবরের পথ' ধরে ভারত থেকে উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিকে আলাদা করে দেওয়ার ডাক দেওয়া হল ঢাকায়। ১৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্দেশে হওয়া মিছিল থেকে এই স্লোগান তোলেন ছাত্র শিবির নেতা তথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলি ইবনে মহম্মদ।
ভারতের ইতিহাসে বাবরকে 'দখলদার' হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। এহেন 'বাবরের পথ' ধরে ভারত থেকে উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিকে আলাদা করে দেওয়ার ডাক দেওয়া হল ঢাকায়। ১৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্দেশে হওয়া মিছিল থেকে এই স্লোগান তোলেন ছাত্র শিবির নেতা তথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলি ইবনে মহম্মদ। জুলাই ঐক্য সংগঠনেরও অন্যতম নেতা এই মুসাদ্দিক।
মুসাদ্দিক আলি ইবনে মহম্মদ গতকাল ভারতীয় হাইকমিশনের বাইরে স্লোগান তোলেন, 'বাবরের পথ ধরো, সেভেন সিস্টার্স স্বাধীন করো।' এদিকে তিনি দাবি করেছিলেন, শেখ হাসিনা এবং ওসমান হাদির হত্যাকারীদের যদি ভারত বাংলাদেশে ফেরত না পাঠায়, তাহলে ভারতের হাইকমিশনের এক একটা ইট খুলে নেওয়া হবে। এছাড়া তাঁর আরও দাবি, বাংলাদেশ নাকি টাকা না পাঠালে ভারত না খেতে পেয়ে মরবে। এদিকে বাংলাদেশে থাকা 'ভারতের সমর্থকদের' প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'ভারতের রাজধানী দুটি। একটি দিল্লিতে আরেকটি কারওয়ান বাজারে।'
উল্লেখ্য, গত ১৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্দেশে মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। এই আবহে হামলার আশঙ্কায় ছিল ভারতীয় হাইকমিশন। এমনকী বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ আবার বলেন, 'ভারতীয় হাইকমিশনারকে লাথি মেরে বের করে দেওয়া উচিত বাংলাদেশ থেকে।' এই সবের মাঝেই দিল্লিতে বাংলাদেশি হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাকে তলব করেছিল বিদেশ মন্ত্রক।
উল্লেখ্য, জুলাই ঐক্য সংগঠনের অভিযোগ, ভারতই নাকি এখন 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি'। তাই ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্দেশে মিছিলের ডাক দিয়েছিল তারা। এরই সঙ্গে প্রাক্তন সেনাকর্তা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সদস্য, মাদ্রাসা এবং কলেজ পড়ুয়ারা নাকি এই মিছিলে যোগ দেন। এই প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ও জুলাই ঐক্যের সংগঠক এবি জুবায়ের বলেছিলেন, 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় হুমকি ভারতের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন। বাংলাদেশের জুলাই-অগস্টের যেসব খুনি ভারতে পালিয়ে আছে, তাদের ফিরিয়ে দেওয়া এবং ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে বাংলাদেশের জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের বিরুদ্ধে জুলাই ঐক্যের এই মার্চ। ভারতীয় মদদপুষ্ট মিডিয়া এবং রাজনৈতিক দল যেন বাংলাদেশে কার্যকর থাকতে না পারে। এর বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


